‘পরকীয়ায় আসক্ত’ স্ত্রীকে, স্কুটি কিনতে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা!

0
366

পরকীয়ায় আসক্ত- ভারতে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ায় আসক্ত স্ত্রীকে গুলি করে হত্যা করেছে তার স্বামী । জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রীকে নিয়ে পলতায় স্কুটি কিনতে গিয়েছিলেন স্বামী সুখবিন্দর।

বাড়ি ফেরার পথে বেঙ্গল এনামেল বাসস্ট্যান্ডের কাছে গুলির শব্দে জড়ো হয়ে যান পথচারীরা। তারা দেখেন, রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে রাজশ্রী।

তার স্বামী সুখবিন্দর দাবি করেন, বাড়ি ফেরার পথে তার স্ত্রীকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। স্ত্রীকে খুনের পর রিভলবারটি ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। রাজশ্রী স্বামী সুখবিন্দরকে আটক করে পুলিশ। রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে।

জানা যায়, পাঁচ বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রাজশ্রী চট্টোপাধ্যায় ও সুখবিন্দর সিং। তবে বেশকিছু দিন আগে রাজশ্রী এক যুবকের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন।

এরপর রাজশ্রীর ঘটনা জানতে পেরে তাকে গুলি করে হত্যা করেছেন সুখবিন্দর সিং। হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর এমনটিই জানিয়েছেন সুখবিন্দর।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সুখবিন্দর প্রথমে জানায়, দুষ্কৃতীরা তার স্ত্রীকে খুন করেছে। খুনে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রও ফেলে গিয়েছেন তারা। বারাকপুরের বাসিন্দা হয়েও কেন পলতায় স্কুটি কিনতে গেলেন, সে বিষয়েও প্রশ্ন করেন তদন্তকারীরা।

কিন্তু সেই প্রশ্নের জবাবে মেলে হাজারও অসঙ্গতি। টানা পুলিশি জেরায় ভেঙে পড়েন সুখবিন্দর। পুলিশকে সে জানায়, স্কুটি কিনতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে স্ত্রীকে নিয়ে বের হন তিনি।

কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরির পর রাত পৌনে ১১টা নাগাদ বাড়ি ফেরার পথে এনামেল বাসস্ট্যান্ডের কাছে রাজশ্রী মোবাইলে কথা বলতে শুরু করেন। তখনই পিছন দিক থেকে স্ত্রীর মাথায় গুলি করে পালিয়ে যান তিনি।

খুনের কারণ হিসাবে পুলিশকে তিনি জানান, রাজশ্রী দীর্ঘদিন ধরেই এক যুবকের সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। বারবার বারণ করা সত্ত্বেও সেই সম্পর্ক ছাড়তে পারেননি রাজশ্রী।

তাই স্ত্রীকে খুন করেছেন তিনি। খুনের কথা স্বীকারের পরই পুলিশ সুখবিন্দরকে গ্রেফতার করে। তবে স্থানীয়দের দাবি, রাজশ্রী কোনো বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত ছিলেন না। স্ত্রীর নামে থাকা সম্পত্তি নিজে হাতাতেই রাজর্ষিকে খুন করেছে সুখবিন্দর।

বিমানে যাত্রীদের নাক, কান দিয়ে রক্ত বের হওয়ায় জরুরি অবতরণ

বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেলেন ভারতের জেট এয়ারওয়েজ় নাইন-ডব্লিউ৬৯৭-এর ১৬৬ জন যাত্রী সহ এক বিমান । বিপদের আশঙ্কা পেয়ে মুম্বাই থেকে জয়পুরগামী বিমানকে জরুরি অবতরণ করান পাইলট।

উড্ডয়নের সময় কেবিন এয়ার প্রেশার সুইচ চালু না থাকায় যাত্রীদের নাক-কান দিয়ে রক্ত বেরোতে থাকে।শুরু হয় যাত্রীদের নানা শারিরীক সমস্যা। অনেকের মাথায় তীব্র যন্ত্রণা শুরু হয়।

প্রায় ৩০ জন যাত্রীকে এরকম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকালে মুম্বাই থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি ফিরিয়ে আনতে হয়।

ভারতের সিভিল অ্যাভিয়েশনের এক কর্মকর্তা বলেন , উড্ডয়নের সময় ব্লিড সুইচ অন করতে ভুলে গিয়েছিল ক্রু। ফলে, কেবিন প্রেশার বজায় রাখা যায়নি।

মুম্বাই বিমানবন্দরে বিমান অবতরণের পর যাত্রীদের নিরাপদে বের করে আনা হয় হয়েছে । তাদের নিয়ে যাওয়া হয় টার্মিনালে। সেখানে কয়েকজনের প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা করা হয়।

মালয়েশিয়ান মেয়েরা যে কারণে বাংলাদেশি ছেলেদের বিয়ে করতে পাগল

ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়ায় পড়ছেন মুনতাহা তাবাসসুম। একই ক্লাসে পড়তেন বাংলাদেশের অনীক রায়হান নামে এক যুবক। পড়ার সময় উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের মাধ্যমে ৩ এপ্রিল থেকে সংসার শুরু করেন।

স্বামী হিসেবে মালয়েশিয়ান যুবতীদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশি যুবকরা। পরের অবস্থানে রয়েছেন ইরানি। তিন বছরে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশি যুবকদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন প্রায় আট শতাধিক নারী।

কেন বাংলাদেশিদের বেশি পছন্দ- এমন তথ্য খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে নানা মজাদার তথ্য। কেউ কেউ বলছেন, বাংলাদেশিরা স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণা করে না, ভালোবাসে সবকিছু উজাড় করে। মালয়েশিয়ার কয়েকটি অভিজাত এলাকা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘুরে পাওয়া গেছে এসব তথ্যের সত্যতা।

মুনতাহা জানান, তার বড় খালারও বিয়ে হয়েছে বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে। খালার কাছে জানতে পেরেছেন, বাংলাদেশের ছেলেরা স্ত্রীকে খুব ভালোবাসেন।

প্রয়োজনে জীবন বিসর্জন দিতে দ্বিধা করেন না বাংলাদেশি যুবকরা। তখন থেকে তার স্বপ্ন বাংলাদেশের যুবককে বিয়ে করবেন। আমরিন ইবনে ফরহাদ নামে এক যুবতী মালয়েশিয়ার টেলিকমে চাকরি করেন।

একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন সাঈদ আহমেদ নামে বাংলাদেশের এক প্রকৌশলী। কাজের ফাঁকে ফাঁকে কথা হতো। এভাবে তিন বছর পেরিয়ে গেলে আমরিন সরাসরি সাঈদকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। সাঈদ প্রস্তাবে রাজি হলে তাদের বিয়ে হয়।

পাশাপাশি বাংলাদেশিরা কেন মালয়েশিয়ানদের বিয়ে করেন- এমন প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, মালয়েশিয়ান মেয়েরা স্বামীর আয় নিজের জন্য ব্যয় করেন না। তারা সব সময় নিজের আয় থেকে চলতে ভালোবাসেন।

অনেক সময় স্বামীর প্রয়োজনে পিতার কাছ থেকে সহযোগিতা নেন। মালয়েশিয়ান বিমান সংস্থা মালিন্ডো এয়ারলাইনসে কাজ করেন তাসফিয়া নাজরিন।

তিনিও বিয়ে করেছেন বাংলাদেশের যুবক হেমায়েত হোসেনকে। তাসফিয়া জানান, ‘ছয় মাস আগে আমাদের বিয়ে হয়েছে। দুজন খুব ভালো আছি। আমরা আরও দুই বছর পর সন্তান নেব। এরপর চাকরি ছেড়ে দেব।