বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল গাড়ির মালিক, কে এই বাঙালী গৃহবধূ জানেন?

0
432

বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল- বিলাসবহুল গাড়ির মালিক- লাম্বরঘিনি হুরাক্যান। বিশ্বের সবচেয়ে দামি এবং বিলাসবহুল গাড়ি গুলির মধ্যে অন্যতম। যার দাম কয়েক কোটি টাকা। এতটাই অত্যাধুনিক এই গাড়ি যে চালাতে অনেকেই ভয় পান।

কিন্তু, কলকাতা শহরের এক গৃহবধূ এই গাড়ি কিনে ভারতে প্রথম লাম্বারঘিনি হুরাক্যান-এর মালিক বনেছেন।শীতল দুগা, যখন তার বিয়ে হয়েছিল তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। গাড়ি চালানো তো দুরের কথা এমনকী সচারচর বাড়ির বাইরেও বের হতেন না সেই শীতলের এখন চল্লিশ বছর বয়স। তিন সন্তানের জননী তিনি। আর এই বয়সে লাম্বারঘিনি-র মতো গাড়ি নিয়ে শহরের রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন।

শহরের রাস্তায় চোখ ধাঁধানো এই লাম্বারঘিনি ইতিমধ্যেই কলকাতার নজর কেড়েছে। তারপর আরো সকলের চোখ ছানাবড় হয়েছে যখন তারা দেখেছেন গাড়িটি চালাচ্ছেন এক নারী।

বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল গাড়ির মালিক, কে এই বাঙালী গৃহবধূ জানেন?

আটপৌর গৃহজীবনের আঙিনা থেকে বেরিয়ে তিন কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে শহরের রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো! অনেকটাই রূপকথার মতোই এই কাহিনি।শীতলের মেয়ে আঠারো বছরের যস্বশীর মতে, —‘মা প্রথমে এতটা সাহসী ছিলেন না। কিন্তু, এখন তার নিজের উপরে এতটাই বিশ্বাস যে লাম্বারঘিনি চালাচ্ছেন। ২ নম্বর জাতীয় সড়কে লাম্বারঘিনি চালিয়ে রেসও জিতেছেন।’

শীতলের মতে, —‘শিল্পপতি স্বামী বিনোদের বরাবরই উৎসাহ ছিল। তারসঙ্গে অন্যের উপর নির্ভরতা করা আমার স্বভাবে নেই। নিজের কাজ নিজেই করতে ভালবাসি। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ড্রাইভিংটাও শিখেছি। চালকের উপর ভরসা করতে চাইনি।’

বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা কি জায়েজ? ইসলাম কি বলে?

পরিষ্কার-পরিছন্নতা, পবিত্রতা অর্জনের অন্য উপায় হচ্ছে গোসল। পবিত্রতা ঈমানের অন্যতম একটি অঙ্গ। বর্তমান পরিবর্তিত জীবনে মানুষের সমাজিক, সাংস্কৃতিক জীবনেও পরিবর্তনের ছোয়া লেগেছে।

আধুনিক যুগের ছোয়ায় এসে মানুষের মধ্যে দেখা গেছে বাথরুমে বিবস্ত্র হয়ে গোসল করার প্রবণতা। বর্তমানে এটি মানুষের মধ্যে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।

কিন্তু ইসলাম কি বলে, আদো কি বিবস্ত্র হয়ে অজু বা গোসল করা যায় কিনা।

এ বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বলা যায়, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাথরুমে বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা উচিত নয়। এ বিষয়ে হাদিসে অনুৎসাহিত করা হয়েছে। যে কারণে আমাদের সকলকে পরিহার করা উচিত।

হাদীস শরীফে এসেছে, লজ্জা করার ব্যপারে মানুষের চেয়ে আল্লাহ তাআলাই বেশি হকদার। তাই গোসলের সময় পুরোপুরি উলঙ্গ হয়ে যাওয়া অনুত্তম।

এক হাদিসে বলা হয়েছে, মুয়াবিয়া বিন হাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তুমি তোমার স্ত্রী ছাড়া অন্যদের কাছ থেকে তোমার লজ্জাস্থান সর্বদা হেফাজত করো (অর্থাৎ ঢেকে রাখো)।’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! যদি কোনো ব্যক্তি কোথাও একাকী থাকে! (তখনো কি তা ঢেকে রাখতে হবে?)।’ তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, কেননা আল্লাহকে অধিক লজ্জা করা উচিত।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৭৬৯)

তবে যদি অন্য কারো দেখার সম্ভাবনা না থাকে তাহলে প্রয়োজনে পাকা গোসল খানায় বা বাথরুমে বিবস্ত্র অবস্থায় গোসল করা জায়েজ। গোসলখানায় চতুষ্পার্শ্বে দেওয়াল থাকা জরুরি। ছাদ না থাকলে সমস্যা নেই। তবে প্রয়োজন ছাড়া এভাবে গোসল করা অনুচিত।

তবে স্বামী ও স্ত্রী একসঙ্গে গোসল করার কথা হাদিসে এসেছে।

এ বিষয়ে মহানবী (সা.) তাঁর স্ত্রী মাইমুনা (রা.) ও আয়েশা (রা.)-এর সঙ্গে একত্রে গোসল করেছেন। এটি সহিহ বুখারি ও মুসলিম দ্বারা প্রমাণিত। এ বিষয়ে কেউ কেউ মুসা (আ.)-এর বিবস্ত্র হয়ে গোসল করার ঘটনাও প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। (দেখুন : বুখারি, হাদিস : ৩৪০৪)।

সব মিলে কথা হচ্ছে উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়েজ আছে তবে এটা একেবারে অনুত্তম কাজ, সুন্নতের পরিপন্থী। আল্লাহর রাসুল সা: কখনো এরকম করেনি। মোস্তাহাব ও উত্তম হল লুঙ্গি ইত্যাদি বেঁধে গোসল করা ও মেয়েরা নিচে পায়জামা বা উড়না সাদৃশ্য ও বুকে গামছা সদৃশ্য কিছু রাখবে।

কেননা আবু দাউদ শরীফে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, মহান আল্লাহ লজ্জাশীল ও পর্দাকারীদের পছন্দ করেন। তাই তোমাদের কেউ যখন গোসল করে তখন সে যেন পর্দা করে নেয়। (তাহতাবী)