থানকুনি পাতার ১৭টি জাদুকরি গুণ, জানলে অবাক হবেন

0
86

থানকুনি পাতার- থানকুনি পরিচিত ভেষজ উদ্ভিদ। অঞ্চলভেদে এটিকে টাকা পাতা, টেয়া, মানকি, তিতুরা, আদামনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধুলাবেগুন, আদাগুণগুণি নামেও ডাকে।

ইংরেজি নাম Indian Pennywort. শাক বলুন বা পাতা, উপকারিতার কারণেই থানকুনি একটি পরিচিত নাম। স্বাদটা একটু তিতকুটে। তবে কার্যকরণ বেশ উপকারী। অসংখ্য রোগের উপশম মেলে এই থানকুনি পাতায়।

চলুন জেনে নিই, থানকুনি পাতার কিছু জাদুকরি দিক—

বেগুন/পেঁপের সাথে থানকুনি পাতা মিশিয়ে রান্না করে এক মাস খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।
থানকুনি পাতার রস ১ চামচ ও শিউলি পাতার রস ১ চামচ মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেলে জ্বর প্রতিরোধ করবে।

অল্প পরিমাণ আম গাছের ছাল, আনারসের কচি পাতা ১টি, কাঁচা হলুদের রস, ৪/৫ টি থানকুনি গাছের শিকড়সহ ভালো করে ধুয়ে একত্রে বেটে রস করে খালি পেটে খেলে পেটের অসুখ ভালো হয়। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটা বেশি কার্যকর।

আধা কেজি দুধে ২৫০ গ্রাম মিশ্রি ও ১৭৫ গ্রাম থানকুনি পাতার রস একত্রে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে ১ সপ্তাহ খেলে গ্যাস্ট্রিক ভালো হয়।

২ চামচ থানকুনির রস সামান্য চিনিসহ খেলে সঙ্গে সঙ্গে খুসখুসে কাশিতে উপকার পাওয়া যায়। ১ সপ্তাহ খেলে পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে।

প্রতিদিন সকালে খালিপেটে ৪ চা চামচ থানকুনি পাতার রস ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে ৭ দিন খেলে রক্তদূষণ দূর হয়।
যে সব বাচ্চা কথা বলতে দেরি করে অথবা অস্পষ্ট, সে ক্ষেত্রে ১ চামচ করে থানকুনি পাতার রস গরম করে ঠাণ্ডা হলে ২০/২৫ ফোঁটা মধু মিশিয়ে ঠাণ্ডা দুধের সাথে কিছুদিন খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়।

প্রতিদিন সকালে ৫/৭টি থানকুনি পাতা চিবিয়ে ৭ দিন খেলে আমাশয় ভালো হয়। থানকুনি পাতা বেটে পাতার রসের সাথে চিনি মিশিয়ে দুই চামচ দিনে দুই বার খেলে আমাশয় ভালো হয়।

থানকুনি পাতা বেটে গরম ভাতের সাথে খেলে পেটব্যথা ভালো হয়।

প্রতিদিন সকালে থানকুনির রস ১ চামচ, ৫/৬ ফোঁটা হলুদের রস সামান্য চিনি ও মধুসহ ১ মাস খেলে লিভারের সমস্যা ভালো হয়।

যদি মুখ মলিন হয়, লাবণ্যতা কমে যায় তবে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধ দিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত করলে উপকার পাবেন।

কোথাও থেঁতলে গেলে থানকুনি গাছ বেটে অল্প গরম করে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে প্রলেপ দিলে উপকার পাবেন।
থানকুনি পাতা বেটে ঘিয়ের সঙ্গে জ্বাল দিয়ে ঠাণ্ডা করে তা ক্ষত স্থানে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

অপুষ্টি ও ভিটামিনের অভাবে চুল পড়ে গেলে পুষ্টিকর ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে।

মলের সঙ্গে শ্লেষ্মা গেলে, মল পরিষ্কারভাবে না হলে, পেটে গ্যাস হলে, কোনো কোনো সময় মাথা ধরা এসব ক্ষেত্রে ৩-৪ চা চামচ থানকুনি পাতার গরম রস ও সমপরিমাণ গরুর কাঁচা দুধ মিশিয়ে খেতে হবে।

নিয়মিত খেলে উপকার পাবেন।
ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হলে, সর্দি হলে থানকুনির শিকড় ও ডাটার মিহি গুঁড়ার নস্যি নিলে উপকার পাওয়া যায়।

এবার বাজারে আসছে গোবরের সাবান-গোমূত্রের শ্যাম্পু!

গোবরের সাবান, গোমূত্রের শ্যাম্পু এবার অনলাইনে পাওয়া যাবে। যদিও ঘুঁটে কিংবা গোমূত্র অনেক আগেই অনলাইনে কেনাবেচা শুরু হয়েছিল।

এবার এলো গোবরের সাবান। আরএসএস পরিচালিত ফার্মেসি সংস্থা দীনদয়াল ধাম বাজারে নিয়ে আসছে এ গোবরের সাবান।

দীনদয়াল ধামের উদ্যোগে এবার জনপ্রিয় ই-কমার্স সংস্থা আমাজনেও কেনা যাবে গোবরের সাবান। সেই সঙ্গে অনলাইনে মিলবে ভেষজ জিনিস দিয়ে তৈরি নানা প্রসাধনী ও মেডিকেল প্রোডাক্টও।

দীনদয়াল ধামের সহসচিব মনিশ গুপ্ত জানান, সাধারণ মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন রকম আয়ুর্বেদিক পণ্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। গোমূত্রের তৈরি জিনিসের চাহিদা ক্রমেই আরও বাড়বে বলেও দাবি মনিশ গুপ্তের।

আরএসএস পরিচালিত ফার্মেসি সংস্থা দীনদয়াল ধাম বিক্রি করবে ৩০ রকমের পণ্য, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে দাবি করা হয়েছে।

শিশুকে টাকার ব্যবহার শেখান

আমাদের জীবন ধারণের জন্য টাকার প্রয়োজন রয়েছে। অনেক অভিভাবকই ভাবেন আর্থিক বিষয় থেকে সন্তানকে দূরে রাখা উচিত। কিন্তু আপনার এ অভ্যাস সন্তানের মধ্যে টাকার ব্যবহার সম্পর্কে কোনো ধারণাই তৈরি হতে দেয় না।

সন্তানকে টাকার ব্যবহার শেখানো মানেই এই না যে প্রতিদিনের আয়-ব্যয়ের হিসাব তার সাথে করবেন। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে টাকা-পয়সা সম্পর্কে একটা ধারণা দিন। দরকারে দোকান-বাজার করার সময় তাকে সাথে রাখুন। এতে কোথায় কেমন করে খরচ করতে হয় তা সে শিখবে।

সন্তানকে পিগি ব্যাংক কিনে দিন। এতে সে টাকা-পয়সার গুরুত্ব বুঝবে। নিজের উপহার পাওয়া টাকা-পয়সা জমাতে আগ্রহী হবে।

পারিবারিক কোনো আনন্দ-অনুষ্ঠানের সময় সন্তানকে প্রয়োজন অনুসারে টাকা খরচ করতে দিন। তবে তা অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রেখে। এতে সে আয়ের সাথে ব্যয় ও সঞ্চয় নিয়ে ধারণা পাবে।

সন্তান একটু বড় হলে এটিএম কার্ডের ব্যবহার শেখান। যে কোনো পরিস্থিতিতে সে যেন কার্ড ব্যবহার করতে পারে।

অসৎ উপায় টাকা না আনতে শেখান সন্তানকে। এমন করলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন। দরকারে মনোবিদের কাছে যান।

বাড়িতে হঠাৎ কোনো আর্থিক বিপর্যয় এলে তা অবশ্যই সন্তানকে জানান। কাছেও খোলসা করুন। যাতে পারিবারিক আর্থিক সমস্যা কীভাবে মেটাতে হয় সে বুঝতে পারে।

সন্তানের চাহিদা মেটানো যদি কষ্ট হয়ে যায় তা তাকে স্পষ্ট করে বলুন। তাকে ছোট থেকেই পরিবারের ক্ষমতা সম্পর্কে জ্ঞান দিন।