যেসব সবজি খেলে তাড়াতাড়ি লম্বা হবেন

0
185

যেসব সবজি খেলে – আমাদের শারীরিক বৃদ্ধির একটি নির্দিষ্ট বয়স থাকে। তবে উচ্চতা ঠিকমতো বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক খাওয়া দাওয়ার ভূমিকা রয়েছে। শরীর ঠিক মতো পুষ্টি না পেলে আপনার যতটুকু লম্বা হওয়ার উচিত, ততটুকু বৃদ্ধি নাও হতে পারেন। সাধারণত পুরুষের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত আর মেয়েদের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এমন কিছু সবজি আছে, যেগুলি শরীরের বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

যেসব সবজি খেলে তাড়াতাড়ি লম্বা হবেন

উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়কসবজিগুলোর মধ্যে ঢেঁড়স অন্যতম। ঢেঁড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার যা গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

শালগম অনেকেরই পছন্দের সবজি। এই শালগমই আপনাকে উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। শালগমে আছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, প্রোটিন, এবং ফ্যাট। এই উপাদানগুলো উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

মটরশুঁটি ছোট বড় সবাই বেশ পছন্দ করেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লুটেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। তবে শুকনো মটরশুঁটিতে এই সকল উপাদান উপস্থিতি থাকে না।

বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। যা উচ্চতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

যেসব সবজি খেলে তাড়াতাড়ি লম্বা হবেন

পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল। আর এই উপাদানগুলি উচ্চতা বৃদ্ধি করে থাকে। নিয়মিত পালং শাক খেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যে উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।

সয়াবিনের প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে যার টিস্যু ও হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিদিন ৫০ গ্রাম সয়াবিন খান আর দেখুন আপানার উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি বেড়ে গিয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহেই।

যেসব সবজি খেলে তাড়াতাড়ি লম্বা হবেন

উচ্চতা বৃদ্ধিতে ব্রোকলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামান্য তেতো স্বাদের কারণে অনেকে ব্রোকলি পছন্দ করেন না। কিন্তু এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা কি জায়েজ? ইসলাম কি বলে?

পরিষ্কার-পরিছন্নতা, পবিত্রতা অর্জনের অন্য উপায় হচ্ছে গোসল। পবিত্রতা ঈমানের অন্যতম একটি অঙ্গ। বর্তমান পরিবর্তিত জীবনে মানুষের সমাজিক, সাংস্কৃতিক জীবনেও পরিবর্তনের ছোয়া লেগেছে।

আধুনিক যুগের ছোয়ায় এসে মানুষের মধ্যে দেখা গেছে বাথরুমে বিবস্ত্র হয়ে গোসল করার প্রবণতা। বর্তমানে এটি মানুষের মধ্যে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।

কিন্তু ইসলাম কি বলে, আদো কি বিবস্ত্র হয়ে অজু বা গোসল করা যায় কিনা।

এ বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বলা যায়, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাথরুমে বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা উচিত নয়। এ বিষয়ে হাদিসে অনুৎসাহিত করা হয়েছে। যে কারণে আমাদের সকলকে পরিহার করা উচিত।

হাদীস শরীফে এসেছে, লজ্জা করার ব্যপারে মানুষের চেয়ে আল্লাহ তাআলাই বেশি হকদার। তাই গোসলের সময় পুরোপুরি উলঙ্গ হয়ে যাওয়া অনুত্তম।

এক হাদিসে বলা হয়েছে, মুয়াবিয়া বিন হাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তুমি তোমার স্ত্রী ছাড়া অন্যদের কাছ থেকে তোমার লজ্জাস্থান সর্বদা হেফাজত করো (অর্থাৎ ঢেকে রাখো)।’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! যদি কোনো ব্যক্তি কোথাও একাকী থাকে! (তখনো কি তা ঢেকে রাখতে হবে?)।’ তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, কেননা আল্লাহকে অধিক লজ্জা করা উচিত।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৭৬৯)

তবে যদি অন্য কারো দেখার সম্ভাবনা না থাকে তাহলে প্রয়োজনে পাকা গোসল খানায় বা বাথরুমে বিবস্ত্র অবস্থায় গোসল করা জায়েজ। গোসলখানায় চতুষ্পার্শ্বে দেওয়াল থাকা জরুরি। ছাদ না থাকলে সমস্যা নেই। তবে প্রয়োজন ছাড়া এভাবে গোসল করা অনুচিত।

তবে স্বামী ও স্ত্রী একসঙ্গে গোসল করার কথা হাদিসে এসেছে।

এ বিষয়ে মহানবী (সা.) তাঁর স্ত্রী মাইমুনা (রা.) ও আয়েশা (রা.)-এর সঙ্গে একত্রে গোসল করেছেন। এটি সহিহ বুখারি ও মুসলিম দ্বারা প্রমাণিত। এ বিষয়ে কেউ কেউ মুসা (আ.)-এর বিবস্ত্র হয়ে গোসল করার ঘটনাও প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। (দেখুন : বুখারি, হাদিস : ৩৪০৪)।

সব মিলে কথা হচ্ছে উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়েজ আছে তবে এটা একেবারে অনুত্তম কাজ, সুন্নতের পরিপন্থী। আল্লাহর রাসুল সা: কখনো এরকম করেনি। মোস্তাহাব ও উত্তম হল লুঙ্গি ইত্যাদি বেঁধে গোসল করা ও মেয়েরা নিচে পায়জামা বা উড়না সাদৃশ্য ও বুকে গামছা সদৃশ্য কিছু রাখবে।

কেননা আবু দাউদ শরীফে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, মহান আল্লাহ লজ্জাশীল ও পর্দাকারীদের পছন্দ করেন। তাই তোমাদের কেউ যখন গোসল করে তখন সে যেন পর্দা করে নেয়। (তাহতাবী)