আপনার বয়ফ্রেন্ড বা স্বামী আগে কারো সাথে সহবাস করেছে কিনা বুঝবেন কি করে জেনে নিন

0
578

এ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আজও মহিলাদের কুমারীত্বের প্রমাণ দিতে হয়। বিয়ের পর ফুলশয্যার রাতে অনেক মা-বাবাই ছেলের হাতে তুলে দেন একটি সাদা রঙের চাদর।

সেই চাদরে শুয়ে বউমাকে পরীক্ষা দিতে হয় তিনি ‘সতী’ কিনা। স্বামীর সংসারে পা রেখেই ঝামেলা এড়াতে এই রীতি মুখ বুজে মেনে নিতে বাধ্য হন অনেক মহিলাই।

কিন্তু আশ্চর্য, এ সমাজে কেউ ছেলেদের ভারজিনিটি নিয়ে প্রশ্ন তোলে না। কেউ জানতে চায় না, ফুলশয্যার রাতে বরও প্রথমবার মিলনে আবদ্ধ হলেন কিনা। সমাজ না জানুক, স্বামীর স্পর্শে পূর্ণতা লাভ করার সময় আপনি অন্তত নিজের কৌতূহল মিটিয়ে নিতেই পারেন। তাঁকে কোনও প্রশ্ন না করেই জেনে নিতে পারেন তিনি ভারজিন কিনা। ভাবছেন কীভাবে? তাহলে পড়ুন এই প্রতিবেদন।

অর্গ্যাজম: হস্তমৈথুনের সময় যে কোনও পুরুষেরই অর্গ্যাজম হয়ে থাকাটা স্বাভাবিক। তা সত্ত্বেও অর্গ্যাজমের মাত্রা বাড়ে সঙ্গমের সময়। আর আপনার পার্টনার যদি মিলনের সময় খুব তাড়াতাড়ি অর্গ্যাজমের শিখরে পৌঁছে যান, তাহলে ধরে নিতেই পারেন তিনি ভারজিন। কারণ প্রথমবার যৌন মিলনের ক্ষেত্রেই তাড়াতাড়ি তৃপ্ত হন পুরুষরা।

রক্তপাত: হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। শুধু মেয়েদের ক্ষেত্রেই নয়, প্রথমবার সঙ্গমে পুরুষদের যৌনাঙ্গে রক্তের ছিটে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অনেক পুরুষের লিঙ্গত্বক অত্যন্ত শক্ত হয়ে থাকে। ফলে মিলনের ফলে যৌনাঙ্গ ছিঁড়ে যায়। ফলে লিঙ্গত্বকে সামান্য পরিমাণ হলেও রক্তের ছোপ দেখা যায়। যদিও খুব কম সংখ্যক পুরুষের ক্ষেত্রেই এমনটা হয়ে থাকে।

বিছানায় দিশেহারা: অনেক ক্ষেত্রে বিছানায় পুরুষদের বেশ দিশেহারা দেখায়। শরীরের কোন অংশে কখন হাত রাখবেন, পরের কাজটি কী করবেন ভেবে কুল করতে পারেন না। পার্টনারকে প্রথমবার নগ্ন অবস্থায় দেখে খানিকটা ইতস্ততও বোধ করে থাকেন তাঁরা। এমনটা হলে একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে যেতে পারেন সে পুরুষ আপনার জন্যই তৈরি।

ফোরপ্লে অজানা: মুখ আর জিভের স্পর্শে পার্টনারের উত্তেজনা কীভাবে চরমে পৌঁছে দিতে হয়, অনেক পুরুষের তা অজানাই থাকে। তাই বাঁধা-ধরা গতেই মিলনে লিপ্ত হন তাঁরা। এক্ষেত্রে ধরা যেতে পারে, সঙ্গমে তিনি বেশ অনভিজ্ঞ।

অস্বস্তিকর পরিস্থিতি: অনেক সময় বিছানায় নতুন পার্টনারের কাছাকাছি আসতে অস্বস্তি বোধ করেন পুরুষ। মনের ইচ্ছা থাকলেও ঠাউর করে উঠতে পারেন না কীভাবে শুরুটা করবেন। এমন লক্ষণ আপনার পার্টনারের মধ্যেও দেখে থাকলে তাঁকে ভারজিন হিসেবে ধরে নিতেই পারেন।