দাদের লক্ষণ ও করনীয়

0
76

দাদ আসলে একটি ফাঙ্গাল ইনফেকশন যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গাতে হয়ে থাকে। দাদ হলে কিন্তু উচিত যে সেইটা খুবই তাড়াতাড়ি সারিয়ে ফেলার। কারণ খুব জলদি দাদ ছোট জায়গা থেকে শরীরের আরো অনেক বড় জায়গাতে ছড়িয়ে পড়ে। তাই যত সম্ভব তাড়াতাড়ি দাদ সারিয়ে ফেলা উচিত। দাদ একটি ছোঁয়াচে রোগও।

দাদ হবার কারণগুলো:

◘ ছত্রাকের কারণে দাদ হয়ে থাকে। সাধারনত ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে জায়গা এবং ভালোভাবে আলো বাতাস পায় না এ ধরণের জায়গায় ছত্রাকের জণ্ম হয়।

◘ অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা, আটসাট অন্তর্বাস ব্যবহার করলে, অপরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করলে এবং সংক্রামক ব্যক্তির কাপড়, গামছা ব্যবহার করলে দাদ হতে পারে।

দাদ কোথায় বেশি হয় :

মাথার চুলের নিচে দেখা যায়।

দাড়িতে দাদ হয়।

কুচকীতে ও রানের দুই পাশে দাদ হয়।

পিঠ, পেট, গায়ে দাদ হয়।

পায়ের তলায় এবং পাতায় দাদ হয়।

নখে দাদ হতে পারে।

দাদের ঘরোয়া চিকিৎসাঃ

হলুদ

দাদ সেরে উঠতে পারে আরেকটি সহজ উপায়ে। টাটকা হলুদের পেস্ট বানিয়ে সেইটা দাদের উপরে লাগালে সেইটা দাদকে সারিয়ে তোলে খুবই জলদি।

রসুন

রসুনের মধ্যে আ্যান্টি ফাঙ্গাল গুন আছে। তার ফলে রসুন দাদকেও সারিয়ে তোলে। রসুনের খুব সরু করে কেটে সেটা আমাদের ত্বকের উপরে কয়েক দিন নিয়ম করে লাগালেই আমরা দাদের থেকে মুক্তি পেতে পারি অতি সহজেই। তাই দাদ হলেই বাড়িতে রসুন বেটে বা সরু করে রসুন দাদের উপর লাগালেই আমাদের দাদ দূর হতে পারে।

কর্পূর

দাদ দূর করার জন্য দাদের সংক্রামিত শরীরের অংশতে কর্পূর লাগিয়ে রাখতে হবে। বেশ কয়েকদিন ধরে দাদে কর্পূর লাগানোর পর আর দাদের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়না। কিছু দিনের মধ্যে দাদের দাগটি ও মিলিয়ে যায় গায়ের রঙের সাথে।

ঘৃতকুমারী

প্রথমে ঘৃতকুমারীর জেল বের করতে হবে। তারপর সেই ঘৃতকুমারীর রস আমাদের দাদের অংশে লাগাতে হবে। কয়েক দিনের মধ্যে আমরা ফলস্বরূপ দেখতে পাই যে দাদ একেবারে সেরে উঠেছে।

পুদিনা এবং লেবুর রস

পুদিনা পাতা বেটে তার একটি পেস্ট বানিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে দাদ সংক্রামিত জায়গাগুলিতে ভালো করে লাগাতে হবে। এইরকম ভাবে কয়েক দিন মনে করে লাগালেই দাদ খুব তাড়াতাড়ি উধাও হয়ে যাবে।

উচ্ছে

উচ্ছের পাতা বেটে তারপর তার রস বানিয়ে দাদের অংশে লাগাতে হবে। এই পদ্ধতিটি কয়েক দিন নিয়ম করে মেনে চললেই খুব জলদি আমরা দাদের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারি