হট ফটোশ্যুটে ঝড় তুলেছে শ্রাবন্তী (এলবামসহ)

0
91

টলিপাড়ার বাবলি গার্ল শ্রাবন্তী তার মিষ্টি স্বভাবের জন্য পরিচিত। অনস্ক্রিন হোক বা অফস্ক্রিন, নায়িকার কিউট হাসি ছাড়া সবকিছুই অসমাপ্ত লাগে ভক্তদের। এই মিষ্টতার বেড়াজাল ভেঙে মাঝে মধ্যেই বোল্ড অবতারে দেখা যায় তাকে। তবে এবার শ্রাবন্তীর ভাইরাল হওয়া বেশ কয়েকটি ছবি যেন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে।

ওয়েস্টার্ন এবং ইণ্ডিয়ান, দুই অবতারেই হটনেসের মাত্রা ছাড়ালেন অভিনেত্রী। লেহেঙ্গা পরে যে উষ্ণতা ছড়ালেন, সেইভাবেই পারদ চড়ালেন নীল রঙের ভেলভেটিশ ড্রেসে৷

হট ফটোশ্যুট ছাড়াও হিরোইন এখন বেশ ব্যস্ত। সামনে মুক্তি পেতে চলেছে দুটি ছবি। সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালিত ‘উমা’ এবং জয়দীপ মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘ভাইজান এলো রে’। দুটি ভিন্ন ধারার ছবিতে অভিনয় করেছেন শ্রাবন্তী। অন্যদিকে নায়িকা ‘পিয়া রে’ ছবিতে সোহমের সঙ্গে ফের কাঁপাতে চলেছেন সিনেমার পর্দা। এই ছবিটির পোস্টার ছাড়া এখনও সেরকম কিছুই মুক্তি পায়নি। সূত্রের খবর, জোরকদমে চলছে ‘পিয়া রে’র শ্যুটিং৷

সম্প্রতি শ্রাবন্তীর বেশ কয়েকটি হট ফটো এখন টলিপাড়ার হটকেক। ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির শ্যুটিংয়ের ফাঁকতালে ফটোশ্যুটে মেতেছিলেন শ্রাবন্তী। বিদেশের মাটিতে গিয়ে লাল মিডি ড্রেসে তাকে বারবি ডলের মতো দেখাচ্ছিল। অভিনেত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া এখন তার এই গ্ল্যামলুকের দিওয়ানা।

নীল রঙের বডিকন ড্রেসে এর আগে বোধহয় এতো সুন্দর কাউকে দেখতে লাগেনি। হেয়ারস্টাইলে সফ্ট কার্লস, মিনিমাল মেক আপ আর ভেলভেটের নি লেন্থ ড্রেস। ব্যস! এতেই বাজিমাত শ্রাবন্তীর। প্রশংসায় ভরছে হিরোইনের কমেন্টবক্স।

এবারে একদম অন্য স্টাইলে শ্রাবন্তী। জিনস আর লেদার জ্যাকেট পরে টম বয় পোজে বসে তিনি। ছবিটি ইতিমধ্যেই নজড় কেড়েছে নেটিজেনদের। তাছাড়াও একটি ব্রাউন জ্যাকেট ড্রেসেও বেশ স্পোর্টি লুকে লাইকসের বন্যা শুরু হয়েছে শ্রাবন্তীর সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ নিজেই ক্যাপশন দিয়েছেন ‘স্যোয়্যাগ’৷ সত্যি এই স্যোয়্যাগ শ্রাবন্তী ছাড়া আর কারও পক্ষে ক্যারি করা সম্ভব নয়।

ব্রিটেনের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা দেশটির প্রথম মৃতদেহের খামারের জন্য দাতা খুঁজছেন, যারা মৃত্যুর আগেই তাদের লাশ ওই খামারে দান করার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ হবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মৃতদেহের খামার স্বাভাবিক ব্যাপার হলেও যুক্তরাজ্যে এবারই প্রথম এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মৃতদেহের খামারে বিশেষজ্ঞরা লাশের পচন প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। লাশকে তারা কবর দিতে পারেন, ঝুলিয়ে রাখতে পারেন আবার পানির নিচেও রাখতে পারেন, যাতে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে লাশের পচন পক্রিয়া অবলোকন করা যায়।

মূলত অপরাধ বিষয়ক গবেষণা ও তথ্য অনুসন্ধানের জন্য এমন গবেষণা চালানো হয়ে থাকে। বিভিন্ন পরিস্থিতে লাশের পচন পক্রিয়া জানা থাকলে বাস্তব অপরাধের ক্ষেত্রে লাশ দেখলেই অপরাধের ধরণ কিংবা কবে ও কীভাবে খুন করা হয়েছে, সে সম্পর্ক ধারণা পাওয়া যায়।

যুক্তরাজ্যের হাডার্সফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ববিদ ড. আনা উইলিয়মস বলেন ‘এ উদ্যোগের ফলে যুক্তরাজ্যের ফরেনসিক বিজ্ঞান আরও উন্নতি করবে।’ড. আনা ‘হিউম্যান টিস্যু অথরিটি’ নিয়েও কাজ করার চেষ্টা করছেন, যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় যেটিকে তাদের বিবেচনার মধ্যে রেখেছে। তিনি বলেন ‘বিজ্ঞানের উৎকর্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা অনেক দিক দিয়েই উন্নতি করতে পারি।’

ড. আনা উইলিয়ামস বলেন ‘এসব কিছু বাস্তবায়িত হলে আমরা একটি লাশ দেখলেই নিশ্চিতভাবে বলতে পারব মানুষটি কখন ও কীভাবে মারা গিয়েছে, পচে যাওয়া লাশের শরীর থেকে আঙুলের ছাপ নিয়ে আমরা খুনিকেও সনাক্ত করতে পারব।’

বিশ্বে এ পর্যন্ত নয়টি মৃতদেহের খামার আছে যার মধ্যে ৭টি যুক্তরাষ্ট্রে। একটি করে আছে হল্যান্ড ও অষ্ট্রেলিয়ায়। লাশের পচন নিয়ে গবেষণার কারণে ইতিমধ্যে অপরাধি সনাক্তকরণে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাওয়া গেছে।

১৯৭০ এর দশকে কুখ্যাত মার্কিন সিরিয়াল কিলার ওয়েনি গেসি অন্তত ৩৩ জনকে খুন করে তার বাড়ির মেঝেতে পুতে রেখেছিলেন। মার্কিন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা পরে পরীক্ষা করে মৃতদেহের শরীরের গেসির ডিএনএ খুঁজে পেয়েছিলেন।