পেয়ারার উপকারিতা সম্পর্কে জানেন তো?

0
99

দামে সস্তা হওয়ায় পেয়ারা আমাদের সকলেরই ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খাওয়ার অভ্যাস করে আমরা সহজেই শরীরে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারি। আসুন, পেয়ারার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক-

পেয়ারায় ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্লাভোনয়েড উপাদানে সমৃদ্ধ। এই উপাদানগুলি ক্যান্সার ও ইনফেকশন থেকে সুরক্ষা যোগায়।

পেয়ারায় বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। পেয়ারাতে কমলালেবুর চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন থাকে।

পেয়ারাতে উচ্চ পরিমাণে আঁশ জাতীয় উপাদান বিদ্যমান। আঁশ জাতীয় উপাদান রক্তে সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে। এই কারণে নিয়মিত পেয়ারা গ্রহণ করা হলে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়।

পেয়ারা শরীরে বিদ্যমান সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে উচ্চরক্তচাপের রোগীরা পেয়ারা খেলে তাদের রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। এছাড়া পেয়ারা ট্রাইগ্লিসাারাইড ও ক্ষতিকর কলেস্টোরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

পেয়ারাতে ভিটামিন এ থাকার কারণে এটি চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। পেয়ারা কেবল দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধ করে না, বরং স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তিকে আরও বাড়িয়ে তোলে। চোখের ছানি ও ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের মতো রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে এই ফল।

দাঁতের ব্যথা উপশমে বিশেষ ভূমিকা রাখে পেয়ারার পাতা। পেয়ারার পাতার জুস করে পান করা হলে দাঁতে ব্যথাসহ মাড়ি ফোলা ও ওরাল আলসারের সমস্যা দূর হয়।

পেয়ারায় বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম মাংসপেশী ও স্নায়ুর উপর চাপ কমাতে সাহায্য করে। দীর্ঘ সময় ধরে শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রমের পর পেয়ারা খাওয়া হলে শরীর ও মনে সতেজ ভাব আসে।

পেয়ারা গর্ভবতী মায়েদের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। পেয়ারায় বিদ্যমান ফলিক অ্যাসিড গর্ভের শিশুর স্নায়ুতন্ত্র গঠনে ভূমিকা রাখে এবং স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ প্রতিহত করে।

ভিটামিন সি থাকার কারণে সাধারণ সর্দি-কাশি দূর করতেও সাহায্য করে পেয়ারা।