শেষমূহুর্তে গিয়ে সিরিজ জেতা হল না বাংলাদেশের

0
13

বিএফডিসিতে এর আগে বেশকিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সংবাদ বিভিন্ন সময় প্রকাশ হয়। গতকাল জানা গেল আবারো এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কথা।

জানা যায়, ছবির শুটিং সেটের বাইরে চিত্রনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে সহকারী পরিচালক সমিতির সদস্যদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের মুহূর্তে ভিডিও করছিলেন অনলাইন পোর্টালের দুজন সাংবাদিক জিয়াউদ্দিন আলম ও সুদীপ্ত সাঈদ খান। তা দেখে ক্ষিপ্ত হন শাকিব খান। এরপর ওই দুই সাংবাদিকের মুঠোফোন কেড়ে নিতে বললেন তার দেহরক্ষী হারুনকে। এ সময় শামীম আহমেদ রনীর ছবির সেটে কাজ করছিলন শাকিব খান। তিনি তার দেহরক্ষীকে মোবাইল ফোন ‘চেক’ করে যা ভিডিও করা হয়েছে, তা ডিলিট করতে বলেন বলে জানান শাকিব খান।

বৃহস্পতিবার বিকালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই ঘটনা।

এফডিসিতে এখন শাকিব খানের ‘শাহেনশাহ’ ছবি শুটিং চলছে। শুটিং চলার সময় অনাকাঙ্খিত এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গেছে, ‘শাহেনশাহ’ ছবিতে প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন আলোক হাসান। তিনি সহকারী পরিচালকদের সংগঠন সিনে ডিরেক্টোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সদস্য নন। তাই বিষয়টি নিয়ে শাহেনশাহ ছবির শুটিং সেটে কথা বলতে যান সংগঠনটির সভাপতি এস আই ফারুক। সেটের পাশে যখন তাদের সঙ্গে আলাপ হয়, তখন আরো কয়েকজন সদস্য সেখানে যান। একপর্যায়ে সেখানে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

শাকিব খানসহ শুটিং ইউনিটের আরো কয়েকজন সেখানে এগিয়ে যান। এ সময় সহকারী পরিচালকদের এমন আচরণ দেখে রেগে যান শাকিব খান। পাশে থাকা ওই দুজন সাংবাদিক উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের মুহূর্ত নিজেদের মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় ধারণ করছিলেন। এ প্রসঙ্গে শাকিব খান জানান, বিষয়টি জানলে সকলে বুঝতে পারবেন। কেন মোবাইল কেড়ে নেব না? এখানে যা হয়েছে এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এসব কেন ভিডিও করে নিয়ে যাবে? তাই আমি ধমক দিয়ে বলেছি, এটা ভিডিও করার কী আছে? তারপর আমি ওসব ভিডিও মুছে ফেলতে বলেছি। শাকিব খানের মতে, যারা শাহেনশাহ ছবির শুটিং সেটে ছিলেন, তাদের তিনি সংবাদকর্মী মনে করেন না, ছোট ভাই হিসেবে দেখেন। সাংবাদিক হিসেবে যদি দেখতেন, তাহলে নাকি তাদের শুটিং স্পটে ঢুকতেই দিতেন না।

জানা যায়, পরে এফডিসিতে থাকা অন্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এসে সহকারী পরিচালকদের সঙ্গে তৈরি ঝামেলার মীমাংসা করেন। এদিকে বিনোদন সাংবাদিক জিয়াউদ্দীন আলম ও সুদীপ্ত সাঈদ দুজনেই জানান, তারা পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। শাকিব খানের এমন আচরণে তারা অবাক হয়েছেন। দেশের একজন জনপ্রিয় নায়কের কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।