নোয়াখালীর এই ১৫ বছরের কিশোরী যা করলো

0
225

১৫ বছরের কিশোরী যা করলো- ১৫ বছরের কিশোরীর বিয়ে ঠিক হয়েছে ৩৫ বছরের এক যুবকের সঙ্গে। নিজের বয়সের থেকে এত বড় বয়সের একজনের সঙ্গে বিয়ে হওয়াটা যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি ওই কিশোরী।

প্রতিবাদ করেও মার খেতে হয়েছে তাকে। আর কি শেষ পর্যন্ত উপায় না পেয়ে বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ইয়াসমিন।

বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ইয়াসমিন। ইয়াসমিন সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে ও সৈয়দপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

স্থানীয়রা জানান, ইয়াসমিন গত বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করতে পারেনি। এজন্য একই শ্রেণিতে পড়ালেখা করছে। এর মধ্যে বাবা ইসমাইল ও মা লাকী বেগম তাকে বিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করে।

একপর্যায়ে ফুফাতো ভাই কুয়েত প্রবাসী রাশেদের (৩৫) সঙ্গে বিয়ে দেয়ার জন্য তাকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। রাশেদ প্রায় ৩ বছর আগে বিয়ে করেছিল। সেখানে বিচ্ছেদ হয়। তাই রাশেদকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় ইয়াসমিন।

এদিকে, বিয়েতে রাজি না হওয়ায় রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ওই ছাত্রীকে তার মা-বাবা মারধর করে। এতে অভিমান করে সোমবার সকালে সে বিষপান করে।

দত্তপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্কুলছাত্রী মোনালিসা হত্যা মামলার আসামি আবু সাঈদ দুবাইয়ে গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় স্কুলছাত্রী মোনালিসা আক্তার হত্যা মামলার আসামি আবু সাঈদকে (২২) সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগামী রোববার তাকে দেশে আনা হবে। এরপরই শুরু হবে বিচার কার্যক্রম। এমনটাই জানিয়েছেন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের।

স্কুলছাত্রী মোনালিসা হত্যা মামলার আসামি আবু সাঈদ দুবাইয়ে গ্রেফতার

গ্রেফতার আবু সাঈদ (২২) ফতুল্লা পশ্চিম দেওভোগ বড় আমবাগান এলাকার ইকবাল হোসেনের ছেলে।

ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ইন্টারপোলের মাধ্যমে আসামি আবু সাঈদকে দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়। সব প্রক্রিয়া শেষে তাকে আগামী রোববার দেশে নিয়ে আসা হবে। তারপর আইনি কার্যক্রম শুরু হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩ মাস আগে আবু সাঈদ বিয়ে করার জন্য দুবাই থেকে বাংলাদেশে আসেন। পরে পাশের বাড়ির মোনালিসাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় সাঈদের পরিবার।

কিন্তু মেয়ের বয়স কম হওয়ায় সাঈদের প্রস্তাবে রাজি হননি মোনালিসার পরিবার। পরে সাঈদ পার্শ্ববর্তী এলাকার ইভা নামে এক মেয়েকে বিয়ে করে।

কিন্তু অভিযোগ ওঠে ২ ফেব্রুয়ারি বাড়িতে একা পেয়ে মোনালিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে সাঈদ। পরে ঘটনা আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুঁলিয়ে দেয়।

ঘটনার পর আবু সাঈদ দুবাই পালিয়ে যায় বলে নিশ্চিত করেছিল তার পরিবার। অগ্রীম রিটার্ন টিকিট থাকায় পালিয়ে যেতে কোনো বেগ পেতে হয়নি তাকে।

উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাতে ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগ বড় আমবাগান এলাকার নিজবাড়ি থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মোনালিসা আক্তারের (১২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মোনালিসা আক্তার স্থানীয় ব্যবসায়ী শাহীন বেপারীর মেয়ে। সে হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

ওই সময় মোনালিসার বাবা শাহীন বেপারী জানিয়েছিলেন, মোনালিসা তার বড় মেয়ে। পরিবারে শাহেদ হাসান (৯) নামে আরেক ছেলে আছে। ওই দুই সন্তানকে বাসায় রেখে শুক্রবার সকালে স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে নিয়ে নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় শ্বশুরবাড়ি যান তিনি।

সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন ফোন করে জানায় অজ্ঞাত এক যুবক তার ঘরে প্রবেশ করে কিছুক্ষণ পর বের হয়ে যায়। এরপর লোকজন ঘরে প্রবেশ করে মোনালিসাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে।

শয়ন কক্ষে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ!

রাজশাহীর মোহনপুরে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে জাহিরুল ইসলাম নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গত বুধবার গৃহবধূর দায়ের করা মামলায় মোহনপুর থানা পুলিশ জাহিরুল ইসলামকে আটক করে। এদিকে গৃহবধূকে উদ্ধার করে পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার ইলামতপুর গ্রামের এক সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে একই গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে জাহিরুল ইসলাম ৩/৪ মাস ধরে বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে তার শয়ন কক্ষে ঢুকে গৃহবূধকে ধর্ষণ করে। এ সময় গৃবধূর স্বামী বাড়িতে ছিলেন না।

থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ গৃহবধূকে উদ্ধার জাহিরুল ইসলামকে (২৪) আটক করে। মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হোসেন জানান, গৃহবধূকে পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও আসামিকে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।