ফর্সা ও মেধাবী বাচ্চা পেতে গর্ভাবস্তায় কি খাবেন? জেনে নিন

0
118

ফর্সা ও মেধাবী বাচ্চা- আপনি যখন গর্ভবতী,ক্ষুধা তখন যেন আয়ত্তের বাইরে।ক্ষিধে তখন যেকোনো সময় হানা দেয়।মহিলারা তখন নানারকম সাদা খাবার খায় এই ভেবে যে এতে ফর্সা হবে। যদিও অনেকেই আমাদের মধ্যে শিক্ষিত,তাও।

বিশেষঞ্জদের মতে যদিও সন্তানের বর্ণ আপনার খাওয়ার ওপর নির্ভর করে না, সেটি ঠিক হয় বাবা মায়ের গায়ের রঙের ওপর – তারই মিশ্রণে। কিন্ত ভারতীয়রা অনেক পৌরাণিক কথায় বিশ্বাস রাখে, এবং তাই মানে যে এরকম কিছু খাবার খেলে গর্ভের সন্তান ফর্সা হবে।

আপনার যদি দৃঢ় বিশ্বাস থাকে এসব পুরাণ কথায় তাহলে এই সব খাবার আপনার খাদ্যতালিকায় যোগ হওয়া উচিত।যদিও এসব খেয়ে বাচ্চা আপনার ফর্সা হবে এমন কোনো কিছু নিশ্চিত হওয়া যায় না।

যত রকমের সাদা খাবার খাওয়া যায় গর্ভাবস্হায় ততই সম্ভাবনা বাচ্চা ফর্সা হয়ে জন্মানোর। এই সব খাবার বিধি মেনে চলার প্রবণতা শুধুমাত্র ভারতীয় নারীর মধ্যেই দেখা যায়। আপনিও যদি বিশ্বাস করেন, তাহলে খেয়ে দেখুন এই খাবারগুলো গর্ভাবস্হায় ফর্সা বাচ্চার জন্য।

কেশর দুধ

কেশর দুধ প্রচুর মহিলা গর্ভাবস্হায় কেশর দুধ খান।তাদের বিশ্বাস যে কেশর সন্তানকে ফর্সা হতে সাহায্য করে।কেশর গর্ভে বেড়ে ওঠা বাচ্চার ত্বকের বর্ণ উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

নারকেল

নারকেল আপনি যদি ফর্সা বাচ্চা চান, তাহলে নারকেলের সাদা শ্বা্সটা খাওয়ার অভ্যেস করুন। আমাদের বিশ্বাস সাদা শ্বাস বাচ্চা ফর্সা হতে সাহায্য করে।

দুধ

দুধ গর্ভাবস্হায় প্রতিটি মহিলার উচিত বেশি করে দুধ খাওয়ার।দুধের বিভিন্ন গুণের জন্য দরকার, বাড়ন্ত ভ্রুণের সুগঠনের জন্য।

ডিম

ডিম মনে করা হয় চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ মাসের মধ্যে ডিমের সাদা অংশটা খুব ভালো ফর্সা বাচ্চা হওয়ার জন্য।

আলমন্ড

আলমন্ড কোনো স্ত্রী যদি ফর্সা সন্তান চান, তাহলে গর্ভাবস্হায় শুকনো বা ভেজানো আলমন্ড বাদাম খাওয়া উচিত।ভারতীয় বিশ্বাস,আলমন্ড মিশ্রিত দুধ গায়ের রং পরিষ্কার করতে সাহায্য করে,এবং তাই গর্ভাবস্হায় খাওয়া উচিত।

ঘি

ঘি গবেষণায় দেখা গেছে যেসব মহিলারা খাবারের মধ্যে ঘি-এর মাত্রা বেশি থাকে,তাদের প্রসব যণ্ত্রণা কম হয়।ওদিকে পুরোনো ভারতীয় চিন্তাধারা অনুযায়ী, ঘি ভ্রুণের বর্ণ উজ্জ্বল করতে সহায়ক। তাই তেলের জায়গায় ঘি খান।

কমলা লেবু

কমলা লেবু গর্ভাবস্হায় রসাল ফলের মধ্যের কমলালেবু খাওয়া উচিত। এটি ভিটামিন সি-এ ভর্তি,যা বাড়ন্ত বাচ্চার পক্ষে খুব ভালো,এবং ত্বকের বর্ণোজ্জ্বল করতেও সহায়ক।

আনারস

আনারস এটা একটি খুব চলতি বিশ্বাস ভারতীয়দের কাছে, যে আনারসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে,যা ত্বকের বর্ণ উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।আপনি যদি চান আপনার সন্তান ফর্সা হোক,তাহলে প্রতি সপ্তাহে এক গ্লাস করে আনারসের রস খান।

মৌরি

মৌরি মৌরি ভেজানো জল ত্বকের বর্ণ উজ্জ্বল করতে খুব কার্য্যকরি।গর্ভবতী মহিলাদের রোজ সকালে ৩মিলি মৌরি ভেজানো জল খাওয়া উচিত। এতে অবশ্য গা বমি ভাবটাও অনেকটা কাটে।

জানেন কি? ভালো থাকার জন্য রোজ দুই থেকে ৩টি ডিম খাওয়া উচিত

কোলেস্টেরল বেড়ে যাবে। ওজন বেরে যাবে এ ভয়ে অনেকেই ডিম খান না। গরম সেদ্ধ ডিম চোখের সামনে দেখেও নিজেকে সংযত করে ফেলছেন। ভুল করছেন। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। আপনি ভুল করছেন।

সাম্প্রতিক গবেষণা ও সমীক্ষায় চিকিত্‍‌সকরা যা বলছেন, তা আপনার ধারণার সঙ্গে একেবারেই মেলে না। ভালো থাকার জন্য রোজ দুই থেকে ৩টি ডিম খাওয়া উচিত। ডিম কতটা শরীরের জন্য উপকারী, সাম্প্রতিক গবেষণাই তার প্রমাণ।

১. হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায়-

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুইসিয়ানার বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের গবেষণায় ১৫২ জন অতিস্থুল ব্যক্তিদের তিনটি গোষ্ঠীতে ভাগ করা হয়। এক গোষ্ঠীকে বলা হয়, ব্রেকফাস্টে যা ইচ্ছে তাই খেতে।

দ্বিতীয় দলকে বলা হয়, ব্রেকফাস্টে দুটি করে ডিম খেতে। তৃতীয় গোষ্ঠীকে বলা হয় ব্যাগেলস খেতে। রেজাল্টে দেখা গিয়েছে, যাঁরা রোজ দুটি করে ডিম খেয়েছেন, তাঁরা বাকি দুই গোষ্ঠীর থেকে ৬৫ শতাংশ বেশি ওজন ঝরিয়েছেন ও ৩৫ শতাংশ পেটের মেদ ঝরিয়েছেন।

ডিমে থাকা প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ রক্তে থাকা ট্রাইগ্লিসারিড লেভেল কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। যার জেরে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে।

২. প্রসবজনীত সমস্যার ঝুঁকি কমায়-

একটি ডিমে ০.৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি ৯ থাকে, যাকে ফলিক অ্যাসিডও বলা হয়। গর্ভাবস্থায় শরীরে ফলিক অ্যাসিডের পরিমাণ কম হলে শিশুর সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম ঠিক মতো তৈরি হয় না। ফলে নার্ভের রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৩. বয়সকে ধরে রাখে-

বার্লিনের বিখ্যাত হেল্থ সেন্টার চ্যারিটি -র গবেষণা বলছে, ডিম ত্বকের বলিরেখা পড়তে দেয় না। ফলে বয়স বৃদ্ধিজনীত ত্বকের সমস্যা কমিয়ে দেয়। চামড়ায় উজ্জ্বলতা আনে। ত্বকের ক্যান্সারও রোধ করে। চিকিত্‍সা বিজ্ঞানীদের মতে, ডিমের কুসুমে প্রাকৃতিক হলুদ রং থাকে। ওই রঙে প্রচুর পরিমাণ ক্যারোটেনয়েড থাকে। যা ত্বককে উজ্জ্বল করে।

৪. ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমায়-

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, একটি ডিম স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ১৮ শতাংশ কমিয়ে দেয়। শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

৫. চুল, ত্বক ও লিভার ভালো রাখে –

ডিমে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন বি১২, বায়োটিন ও প্রোটিন থাকে। যা চুলের বৃদ্ধি ও চামড়ার জন্য খুবই উপকারী। বিশেষ করে ডিমের কুসুম চুলের জন্য দারুণ উপকারী।

৬. চোখ ভালো রাখে-

ডিমে থাকা প্রচুর পরিমাণ লিউটিন, ভিটামিন এ ও zeaxanthin চোখের জন্য খুবই উপকারী। দিনের আলোয় চোখের উপর যে চাপ পড়ে, তা কমিয়ে দেয়। দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।

৭. ওজন কমায়-

ডিম শরীরে ব্যাড ফ্যাট জমতে দেয় না। খিদের মাত্রা কমায়। গুড ফ্যাট ওজন ঝরাতে সাহায্য করে।

৮. হজম ক্ষমতা বাড়ায় ও সুস্থ রাখে-

ডিমে থাকে choline, যা শরীরে মেটাবলিজমের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ফলে এনার্জি তৈরি হয়। ওজন ঝরে। গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রিম্যাচিওর বেবি হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

৯. শরীরের হাড় মজবুত করে-

ডিমে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ পরিমাণ বেশি থাকায়, হাড় ও দাঁত মজবুত করে। জয়েন্ট পেইন হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

সফলতার পেছনে ইসলামের ভূমিকা নিয়ে যা বললেন অস্কার বিজয়ী এ.আর রহমান

অস্কার বিজয়ী প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ এবং সুরকার এ. আর. রহমান তার জীবনের সকল সফলতার পেছনে ইসলামের অনুপ্রেরণা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।

ইসলাম যেভাবে তার জীবনে সফলতা এনেছেন ঠিক একইভাবে কি অন্যদের জীবনেও আনতে সক্ষম কিনা, তাকে প্রায়শই এমন অনেক রকমের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় বলে তিনি জানিয়েছেন। সফল এই সঙ্গীতজ্ঞের জীবনী নিয়ে লিখা একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

‘Notes of a Dream: The Authorized Biography of AR Rahman’ নামক এ. আর. রহমানের জীবনী গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এটি ধর্মান্তরিত হওয়া বা না হওয়ার মত কোনো বিষয় নয়। আপনি কি সঠিক দিক খুঁজে পেয়েছেন কিনা, সঠিক দিকে চলতে পারছেন কিনা, এটি ঠিক এমন ব্যাপার।

সুতরাং আমার দিক থেকে আমি এবং আমার মা আধ্যাত্মিক শিক্ষকদের, সুফি শিক্ষকদের নিকট থেকে এমন কিছু পেয়েছি যা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এটিই সেই বিশ্বাস যা আমরা গ্রহণ করেছি এবং এখনো ধারণ করে চলেছি।’

এই বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ আরো বলেন, ‘ইসলাম আমাকে অনেক ভুল থেকে রক্ষা করেছে কারণ প্রত্যেক সালাতের পরে আমার মনে আসে যে, আমাকে পরবর্তী সালাতও আদায় করতে হবে আর এভাবেই আমি ক্ষতিকর আচরণ থেকে বেঁচে থাকি।’

তার জীবনী গ্রন্থ নিয়ে বলতে গিয়ে সঙ্গীতের এই জীবন্ত কিংবদন্তি বলেন, ‘আমার এই জীবনী গ্রন্থটি আমার জন্য একটি ভ্রমণের মত যা আমাকে আমার জীবনের এমন অনেক দিকে নিয়ে গিয়েছে যেগুলো আমি দীর্ঘ সময় ধরে বুকে লালন করেছি।

কৃষ্ণা ত্রিলোকের (এ.আর. রহমানের জীবনী গ্রন্থের লেখক) সাথে আমার অর্থবহ আলোচনার ফলে আমার জীবনের অনেক ব্যক্তিগত এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ দিক উঠে এসেছে যা ইতোপূর্বে অনেকেই জানতো না।’