রাতে বিছানায় শুয়ে মোবাইল ঘাঁটা অভ্যেস? এই খবর পড়ার পরে আর সেই সাহস করবেন না

0
184

রাতে বিছানায় শুয়ে- ইউসিএলএ স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষকরা একটি সমীক্ষা তথা গবেষণার শেষে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, ঘুমোতে যাওয়ার আগে রাতে বিছানায় শুয়ে মোবাইল ঘাঁটা অভ্যেস, মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর।

ঠিক কী ধরনের ক্ষতি হয় এর ফলে? গবেষকদলের প্রধান ডাক্তার ড্যান সিগাল এই প্রশ্নের উত্তরে বলছেন, ‘আসলে মোবাইল ফোনের স্ক্রিন থেকে যে নীল ও সাদা আলো বিচ্ছুরিত হয়, তা মানুষের মস্তিস্ক থেকে মেলাটোনিন নামের হরমোনের ক্ষরণে বাধা দেয়।

আর এই হরমোনই শরীরকে ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে। ফলে স্বভাবতই সেই মেলাটোনিন ক্ষরণে যদি বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে অনিদ্রা এবং ঘুমের অভাব দেখা দেয়।’

কিন্তু ঘুম কম হলেই বা ক্ষতি কী? সেই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের একটি রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে জানানো হচ্ছে, যাঁরা দিনে আট ঘণ্টার কম ঘুমোন, তাঁদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ বেড়ে যায়। অর্থাৎ ঘুমনোর আগে মোবাইল ঘাঁটার অর্থ— কার্যত অস্বাভাবিক এবং অকাল মৃত্যুকে কাছে ডেকে আনা।

ডাক্তার সিগাল বিস্তারিত ব্যাখ্যা-সহ জানান, ‘‘মোবাইল স্ক্রিন থেকে যে ফোটন-প্রবাহ চোখের দিকে আসে, তা আমাদের মস্তিস্কে ক্রমাগত এই বার্তা পাঠায় যে, ‘জেগে থাকো’।

তার ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। অর্থাৎ ঘুম কমে যায়, অথবা প্রয়োজনীয় গভীর ঘুম থেকে বঞ্চিত হয় শরীর।

তার ফলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। ডায়বেটিস, স্থূলতা, হার্টের রোগ এমনকী ক্যানসারের সম্ভাবনা পর্যন্ত নিদ্রাল্পতার কারণে বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ক্লান্তি, অবসাদ কিংবা যৌন ইচ্ছা হ্রাসের মতো সমস্যাও দেখা দেয়।’’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, একটি পৃথক সমীক্ষায় সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, অনিদ্রায় ভোগা হাজার জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে ৮৫০ জনেরই ঘু‌ম না-হওয়া বা ঘুম কম হওয়ার প্রধান কারণ মোবাইল ফোন।

কাজেই আর দেরি নয়, আজই নিজেকে মুক্ত করুন বিছানায় শুয়ে মোবাইল ঘাঁটার বদভ্যাস থেকে।

প্রাণায়াম, ধ্যান, কিংবা অন্য কোনও রিল্যাক্সেশন এক্সারসাইজ মোবাইল ঘটিত এই সমস্যা থেকে মুক্তির দিশা দেখাতে পারে বলে মনে করছেন মনোবিদরা।

স্বর্ণের লোভ দেখিয়ে স্বর্ন ব্যবসায়ীর লালশার শিকার কলেজ ছাত্রীর ভিডিও ফুটেজ

স্বর্ন ব্যবসায়ী অঙ্গনের লালশার শিকার কলেজ ছাত্রীর ভিডিও ফুটেজ নিয়ে এলাকায় তোড়পাড়! অবশেষে থাকায় পপির অভিযোগ আরিফুর রহমান বাবু, আড়ংঘাটা,খুলনা-> খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার

(বমর্তমান কেএমপি-আড়ংঘাটা থানাধীন) আড়ংঘাটা থানা এলাকার শলুলা বাজারের স্বর্গ ব্যবসায়ী মল্লিক জুয়েলার্সের মালিক অঙ্গন বিশ্বাসের ভিডিও ফুটেজ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোড়পাড় শুরু হয়েছে সংবাদ শিরোনাম “বিবিসি ৭১ নিউজ” পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় অবশেষে অভিযোগ দায়ের করেছেন কলেজ ছাত্রী পপি মন্ডল।

গত ১৮/০৯/১৮ ইং তারিখ পপি থানায় হাজির হয়ে নারীলোভি অঙ্গন বিশ্বাস সহ পুলিন বালা ও বিবেক মন্ডলকে আসামী করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরির্পোট লেখা প্রর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারিনি।

ব্যাপারে এলাকাবাসি তার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী করেছেন। সুত্রে জানা গেছে, অঙ্গন দীর্ঘ দিন যাবৎ বিভিন্ন মেয়েদের ফুসলিয়ে বা প্রেমের জালে জড়িয়ে ভালোবাসার সম্পর্ক করে নারীদের ভক্ষণ করাই তার মুল কাজ।

গত ৫/৬ দিন আগে এলাকাবাসি উদ্ধার করে অঙ্গন ও একই এলাকার এক কলেজ ছাত্রী পপি সাথে যৌন মেলামেশার একটি ভিডিও ফুটেজ। যাহা এলাকার ব্যাপক তোড়পাড় সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসির গোনদাবী উঠেছে অঙ্গনের শাস্তি কামনায়। এ বিষয় অঙ্গনের মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি ফোনটা রিছিপ করলেই সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার সাথে সাথে ফোনটা কেটে দিয়ে বন্দ করে রাখে।

এ বিষয় শলুয়া বাজার কমিটির সাঃ সাম্পাদক প্রভাষ বিশ্বাস বলেন, আমি এ বিষয় কোন মন্তব্য করতে চাইনা, তবে ঘটনাটি আমি শুনেছি। সার্বিক বিষয় আড়ংঘাটা থানার ওসি রেজাউল করিম বলেন, মেয়েটি যদি কোন অভিযোগ দেয় সেক্ষেত্রে আমি আইনানুগ ব্যবস্হা নিবো।

তবে ঘটনাটি অসামাজিক সেহেতু বিষয়টি তদন্ত করে এলাকাবাসির সহযোগীতায় আইনানুগ ব্যবস্থা নিব। বর্তমান নারীলোভি তার ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্দ করে পালিয়েছি বলে এলাকাকাবাসি জানিয়েছেন।