গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রি করেই সুইপার থেকে মার্বেলে মোড়ানো অট্টালিকার মালিক

0
172

গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রি করেই- কয়েক বছর আগেও ঢাকা সিটি করপোরেশনে সুইপার পদে চাকরি করতেন মানিকগঞ্জের হাবিবুল্লাহ ওরফে হবিউল্লাহ। সুইপার থাকার সময় গাজীপুরের টঙ্গি ও সাভারের আশুলিয়া এলাকায় ভাড়া বাসায় কোনভাবে বসবাস করতো তার পরিবার।

কিন্তু কয়েক বছরের ব্যবধানে এখন তিনি তৈরি করেছেন মার্বেল পাথরে মোড়ানো তিন তলা বাড়ি, হয়েছেন কোটি কোটি টাকার মালিক। আর এসবই করেছেন ইয়াবা ও গাঁজার ব্যবসা করেই। হাবিউল্লাহ এখন একটি মাদক মামলায় কারাগারে আছেন।

মানিকগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে গড়পাড়া ইউনিয়নের শাকরাইল গ্রামে তৈরি করেছেন তিনতলা বাড়িটি।বাড়ির মেঝে মার্বেল পাথর দিয়ে গড়া।

এছাড়া রয়েছে দামি বিদেশি টাইলস, ঝাড়বাতি, কাঠের দরজায় শৈল্পিক কারুকাজ। ভেতরে বিলাসবহুল সব আসবাবপত্র। বাড়িতে হাবিবুল্লার স্ত্রী রওশনারা ও কয়েকজন গৃহকর্মী থাকেন।

জানা গেছে, স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার সহযোগিতায় ইয়াবা ও গাঁজার ব্যবসা করে হাবিবুল্লাহ কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। গড়েছেন অগাধ স্থাবর-অস্থাবর সস্পত্তি। তার বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ ও গাজীপুর থানায় ছয়টি মাদক মামলা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসায়ী হাবিবউল্লার ছিল ওপর মহলের সঙ্গে চলাফেরা। তার সব অপকর্মের কাজে সহযোগিতা করতো সরকার দলীয় একাধিক নেতা। যে কারণে হাবিবউল্লাহ এলাকার কাউকে তোয়াক্কা করতো না।

কিন্তু হাবিবুল্লার স্ত্রী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘হাবিবুল্লাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে। হাবিউল্লাহ ভালো হয়ে গেছে, শুধু গাঁজা সেবন করে। এজন্য কেজি দরে গাঁজা কিনে আনতো।’

তিনি জানান, হাবিবুল্লাহ সিটি করপোরেশনের সুইপার পদে চাকরি করার সময় পরিবার নিয়ে থাকতো গাজীপুরের টঙ্গি ও সাভারের আশুলিয়া এলাকায়।

সুইপার থাকার সময় যা কামাই-রোজগার করতো তা দিয়েই তার স্বামী জমি কিনেছিলেন এবং তা বিক্রি করে এখন চলছে তাদের সংসার। স্বামী জেলে থাকায় তাদের সংসার চালাতে সমস্যা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মানিকগঞ্জ শাখার ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে হাবিবুল্লাহ ওরফে হবিউল্লাহ অন্যতম।

তার অট্টালিকার মতো বাড়িটি মাদক ব্যবসার অবৈধ টাকা দিয়ে তৈরি করা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ ও গাজীপুরে একাধিক মামলা রয়েছে।’

মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের এএসপি (ডিএসবি) হামিদুর রহমান সিদ্দিকী জানান, ‘শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হাবিবুল্লাহ তিন কেজি গাঁজাসহ আটক হয়ে জেল হাজতে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জে তিনটি মাদকের মামলা রয়েছে।’

বিদ্যালয় মাঠে থেকে ৩ বান্ধবীকে ‍তুলে নিয়ে ধর্ষণ

তিন মারমা কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে চার যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গতকাল মঙ্গলবার রাতে ওই চারজনকে গ্রেফতার করে। ধর্ষণের শিকার ওই ৩ কিশোরীকে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিদ্যালয় মাঠে থেকে ৩ বান্ধবীকে ‍তুলে নিয়ে ধর্ষণ

জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে জেলার মহালছড়ির মাইসছড়ির মানিকছড়ি মুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তিন বান্ধবী বসে আড্ডা দিচ্ছিল।

এ সময় থুইচিং মারমা, সাটিং মারমা, হৃদয় চাকমা ও সাইফুল মারমা নামের চার যুবক সেখানে এসে তাদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাশের সেগুন বাগানে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে।

এ সময় ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী পালিয়ে এসে স্থানীয় গ্রামবাসীকে জানালে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। এসময় স্থানীয়রা অপর দুই কিশোরীকে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর বাবা মহালছড়ি থানায় মামলা করলে পুলিশ ওই চারজনকে গ্রেফতার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহালছড়ি থানা পুলিশের ওসি নুরে আলম ফকির জানান, ওই ৩ কিশোরী স্থানীয় হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ধর্ষকদের গ্রেফতার করেছে। ধর্ষণের শিকার তিন ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

উজ্জ্বল অধিকারী, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ- সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১২ পিছ ইয়াবাসহ শফিকুল নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

বুধবার রাতে বেলকুচি পৌর এলাকার চরচালাস্থ এলাকা থেকে ১২ পিছ ইয়াবাসহ শফিকুল ইসলাম (৪০) কে গ্রেফতার করে। সে ওই গ্রামের হযরতআলী ফকিরের ছেলে।

বেলকুচি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে চরচালা এলাকার একতা ট্রান্সপোর্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে শফিকুলকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তার কাছ থেকে ১২ পিছ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। তার নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ওরা ১৫জন সবাই যুবক, সবাই নিষিদ্ধ ভিডিও ব্যবসায়ী!

সুনামগঞ্জের ছাতকে কম্পিউটারে গান ডাউনলোড ব্যবসার আড়ালে পর্ণোগ্রাফী আপলোড-ডাউনলোড ও মেমরী কার্ডের মাধ্যমে সরবরাহ করার অপরাধে ব্যবহৃত কম্পিউটারসহ জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার দিনব্যাপী ছাতক শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, তাদের সবার বয়সই ১৯ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, অর্থ্যাৎ তারা সবাই যুবক।

ছাতক থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গোবিন্দগঞ্জ ও ছাতক শহর থেকে পর্ণোগ্রাফী আপলোড-ডাউনলোড ও মেমরী কার্ডের মাধ্যমে সরবরাহ করার অপরাধে রনজিত রবি দাস (২০), তোফায়েল আহমদ (১৯), আমির হামজা (২০), জুনেদ আহমদ (২৪), ওলিউর রহমান (৩০), আফজাল আহমদ (২০), নুর উদ্দিন (২৫), বাদশা মিয়া (২২),

রিপন মিয়া (২০), আনোয়ার হোসেন (২০), আবির সরকার (২২), আফজাল হোসেন (১৯) ও জাউয়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের অভিযানে একই অপরাধে কম্পিউটারসহ তারেক আহমদ (২২), আরমান হোসেন (২০) ও এলিম আহমদ (২০) গ্রেফতার করা হয়।

কম্পিউটারে রিংটোন ব্যবসার আড়ালে তারা নীল ছবি বিক্রি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। উঠতি বয়সের যুবক-যবতী ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা নীল ছবি মোবাইলের মেমোরী কার্ডে লোড নিতো এসব কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। ফলে নৈতিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি যুবসমাজ বিপথগামী হয়ে পড়ছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।