যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে ৪০ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

0
117

যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে- আফ্রিকার তাঞ্জানিয়ায় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকালে একটি যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে কমপক্ষে ৪০ জন প্রাণ হারিয়েছে।

দেশটির ভিক্টোরিয়া হ্রদে চার শতাধিক যাত্রী নিয়ে এমভি নায়রেরে নামে ওই ফেরিটি ওকরা ও বুগলরা নামে দুটি দ্বিপের মাঝামাঝি স্থানে উল্টে যায়। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করার কারণে ওই ফেরিডুবির ঘটনাটি ঘটে। উদ্ধার কর্মীরা শতাধিক যাত্রীকে জীবিত এবং ৩২ জনতে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী অনেকের দাবি, ডুবে যাওয়া যাত্রীর সংখ্যা দুই শতাধিক। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। উদ্ধার কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়রাও এগিয়ে আসেন ডুবে যাওয়াদের সাহায্য করতে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়।

কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনা, চট্টগ্রামের সাথে সারাদেশের ট্রেন চলাচল বন্ধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–কুমিল্লা রেলপথের কসবা ইমামবাড়ী স্টেশন এলাকায় একটি কন্টেইনার ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে চট্টগ্রামের সাথে ঢাকা ও সিলেটেরর ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আজ শুক্রবার দুপুর ১ টার দিকে এ দূর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেন উদ্ধারে আখাউড়া রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ করছে বলে জানা যায়। তবে দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়নি।

আখাউড়া ট্রাফিক বিভাগ জানায়, চট্টগ্রাম-ঢাকাগ্রামী একটি কন্টেইনার ট্রেন কসবার ইমামবাড়ী রেলস্টেশন অতিক্রম করার পর হঠাৎ বিকট শব্দে ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ দুই বগি লাইনচ্যুত হয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। খবর পেয়ে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেন উদ্ধারে আখাউড়া রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে কাজ করছে বলেও ট্রাফিক বিভাগ জানায়।

এদিকে চট্টগ্রামের সাথে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় আখাউড়া রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে ট্রেন আটকা পড়ে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে বলেও খবর পাওয়াগেছে। এ ব্যাপারে আখাউড়া রিলিফ ট্রেন কর্মকর্তা মো: দেলোয়ার হোসেন জানান, দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেন উদ্ধার করতে দ্রুত কাজ চলছে।

১৩শ কোটি টাকা ব্যয়ে আশুগঞ্জে নির্মিত হচ্ছে দ্বিতীয় কন্টেইনার নদীবন্দর

ভারতের দ্বিতীয় ক্রেডিট লাইনের সহায়তায় প্রায় ১৩শ কোটি টাকা ব্যয়ে আশুগঞ্জে অভ্যন্তরীণ দ্বিতীয় কন্টেইনার নদীবন্দর স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নের পরিমাণ হচ্ছে ৮৬২ কোটি টাকা এবং অবশিষ্ট ৪৩১ কোটি টাকা হচ্ছে ভারতীয় ঋণ। অর্থাৎ প্রকল্পের দুই-তৃতীয়াংশ অর্থই দেবে বাংলাদেশ সরকার।

জানা যায়, চলতি বছরের প্রথম দিকে প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এর পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা প্রতিবেদন ও টার্মিনালের নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে চর চারতলা ইউনিয়নের মহরমপাড়া গ্রামের নদীতীরে এই বন্দর স্থাপন করা হবে। আগামী ২০২১ সালের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। বন্দর নির্মাণে মোট ১৩ হেক্টর বা ৩২ একর জমি প্রয়োজন হবে।

এর মধ্যে জমি অধিগ্রহণ করা হবে ২০ একর, আর অবশিষ্ট ১২ একর জমি ইজারা নেয়া হবে। প্রকল্পের আওতায় কন্টেইনার জেটি, মাল্টিপারপাস জেটি ও ইয়ার্ড, ব্রিজসহ এক্সেস রোড, তীর সংরক্ষণ, ট্রানজিট শেড, কার্গো শেড, অফিস ভবন ইত্যাদি নির্মাণ ছাড়াও দুটি মোবাইল হারবার ক্রেন ক্রয় করা হবে। এর মধ্যে একটি ২৫০ টিপিএইচ ক্ষমতা সম্পন্ন।

জানা যায়, আশুগঞ্জ দিয়ে নদীপথে ভারতকে ট্রানজিট দিয়েছে বাংলাদেশ। এ কারণে আশুগঞ্জকে একটি ট্রানশিপমেন্ট বন্দরে উন্নীত করা হচ্ছে।

এটি নির্মিত হলে চট্টগ্রাম, মোংলা ও অন্যান্য বন্দর থেকে পণ্যবাহী কন্টেইনার অভ্যন্তরীণ নৌ-পথ ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নেয়া যাবে। পাশাপাশি ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট সুবিধার আওতায় পণ্য পরিবহনে ভারতও এ বন্দর ব্যবহার করতে পারবে।

ফলে আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক বাণিজ্যিক সুবিধা সৃষ্টি হবে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কলকাতা থেকে নৌ-পথে আসা পণ্যবাহী কন্টেইনার আশুগঞ্জ নৌ বন্দর দিয়ে আখাউড়া হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয়

রাজ্যগুলোতে যাবে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর থেকে নৌ-পথে পরিবহন করা কন্টেইনার উঠানামা করতেও এই বন্দর ব্যবহার করা যাবে।