ফেসবুকে প্রেম সীমান্তরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশে ..অতঃপর……

0
182

ফেসবুকে প্রেম- বাংলাদেশি যুবকের প্রেমে পড়ে দেশ ছেড়েছে এক ভারতীয় তরুণী সঞ্জনা বিশ্বাস বাংলাদেশে চলে আসে।। সীমান্তরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশি যুবক লাবু মিয়া কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্তসংলগ্ন জামালপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলের বাড়িতে ওঠে।

এ নিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির মধ্যে পতাকা বৈঠকও হয়েছে।শনিবার বেলা ১১টায় জামালপুর সীমান্তে ১৫২/৬(এস) সীমান্ত পিলারসংলগ্ন নোম্যান্সল্যান্ডে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পালিয়ে আসা সঞ্জনা বিশ্বাস (১৯) ভারতের পশ্চিমবাংলার নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার চরমেঘনা গ্রামের বিশ্বজিত বিশ্বাসের মেয়ে ।

আর বাংলাদেশি যুবক লাবু মিয়া কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্তসংলগ্ন জামালপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে।বিজিবি সূত্র জানায়, প্রেমের টানে ভারত সীমানা পেরিয়ে গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় তরুণী সঞ্জনা বিশ্বাস বাংলাদেশে চলে আসে।

এ ঘটনায় মেয়েটিকে ফেরত চেয়ে বিএসএফ বিজিবিকে পত্র দেয়। পত্র পেয়ে বিজিবি জামালপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর বাড়ি গিয়ে ভারতীয় মেয়ের সন্ধান চাইলে পরিবারের লোকজন বিজিবিকে জানায় তারা বাড়ির কাউকে না জানিয়ে ঢাকায় চলে গেছে।

এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফ পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের চরমেঘনা ক্যাম্পের অধিনায়ক ইন্সপেক্টর বান কে সিং ও বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধীনস্থ প্রাগপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক নায়েক সুবেদার সুবোধ পাল। ৩০ মিনিটব্যাপী চলা বৈঠকে ভারতীয় তরুণী সন্ধান পেলে তাকে ফেরতের আশ্বাস দেয় বিজিবি।

মোবাইল ফোনে দুই দেশের তরুণ-তরুণীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এরই জেরে মেয়েটি ভারত থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশি যুবকের হাত ধরে ঢাকায় পাড়ি জমায়।

তারা বিয়ে করেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। প্রাগপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল মাস্টার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, প্রেমের সম্পর্কের টানে মেয়েটি ভারত থেকে বাংলাদেশে চলে আসে। জামালপুর গ্রামের লাবু মিয়ার সঙ্গে ঢাকায় চলে যায়।

এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে ‘আদর্শ বউ’ হওয়ার পাঠ্যক্রম!

আদর্শ বউ হতে চান? তাহলে চলে যান ভারতের ভোপালের বরকতুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি এবার নতুন পাঠ্যক্রম চালু করতে চলেছে। যে পাঠ্যক্রম শেখানো হবে কীভাবে আদর্শ বউ হতে পারবেন নারীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নারীদের সামাজিক উন্নতির জন্যেই নাকি আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এই পাঠ্যক্রম চালু হচ্ছে। ৩ মাসের এই পাঠক্রম শেষেই দেওয়া হবে আদর্শ বউ’র সার্টিফিকেটও।

প্রাথমকিভাবে সমাজবিদ্যা বিভাগের অধীনে চালু হবে এই পাঠ্যক্রম। শুরু হবে ৩০ জন ছাত্রীকে নিয়ে। পরবর্তীকালে ছাত্রী সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

নারীদের ‘সামাজিক উন্নতি’র লক্ষ্যেই আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন পাঠ্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিয়ের পর নতুন পরিবেশে কীভাবে মানিয়ে চলতে হয়, নতুন পরিবারে কীভাবে সকলের সঙ্গে থাকতে হয় তিন মাসের এই পাঠ্যক্রমে মূলত সেই বিষয়গুলিই শেখানো হবে নারীদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভি সি গুপ্তা জানিয়েছেন, নারীদের উন্নতির উদ্দেশ্যে এই পাঠ্যক্রম খুবই ব্যতিক্রমী। তিনি বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আছে। আর সেই দায়বদ্ধতা থেকেই এই ভাবনা আমাদের মাথায় আসে।”

এই পাঠ্যক্রমে অংশ নিলে সমাজের মহিলারা আরও শক্তিশালী হবেন বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে আরও একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কথা ভাবা হচ্ছে।

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই বিসিএ বা ব্যাচেলার অব কমপিউটর এডুকেশনের পরীক্ষা হিন্দিতেও নেওয়া যায় কিনা তা ভেবে দেখছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়।

তবে বরকতুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নতুন পাঠক্রমকে যতই মেয়েদের পক্ষে বলা হোক তা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না নারী আন্দোলনের কর্মীরা।

তারা বলছেন, নারীদের উন্নতি তো দূরের কথা সুপরিকল্পিতভাবে তাদের মজ্জায় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে পুরুষতান্ত্রিক চিন্তাভাবনার বীজ। আর এটাই পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আসল চেহারা।

অবশেষে পরিচয় মিলেছে গুলিবিদ্ধ সেই তিন লাশের

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত তিন যুবকের পরিচয় মিলেছে। স্বজনরা বলছেন, গত বুধবার পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবির সদস্য পরিচয়ে ওই তিনজনকে যাত্রীবাহী বাস থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর নিখোঁজ ছিলেন তারা।

তিনজনই রাজধানী ঢাকায় থাকতেন। শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পূর্বাচল উপশহরের আলমপুরের ১১ নম্বর ব্রিজ এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

যুবকেরা হলেন, রাজধানীর মহাখালীর শহীদুল্লাহর ছেলে মো. সোহাগ (৩২), মুগদা এলাকার মো. আবদুল মান্নানের ছেলে শিমুল (৩০) ও একই এলাকার আবদুল ওয়াহাব মিয়ার ছেলে নূর হোসেন ওরফে বাবু (৩০)। এর মধ্যে শিমুল ও বাবু সম্পর্কে ভায়রা ভাই।

সকালে লাশ উদ্ধারের পর তাৎক্ষণিকভাবে নিহত যুবকদের পরিচয় জানা যায়নি বলে জানায় পুলিশ।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বিডি২৪লাইভকে জানান, আলমপুরের ১১ নম্বর ব্রিজ এলাকায় সড়কের পাশে তিন যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ওই এলাকা থেকে তিন যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে। নিহত তিন যুবকের পরনে প্যান্ট, শার্ট ও গেঞ্জি ছিল।

খবর পেয়ে নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা রূপগঞ্জ থানায় ছুটে আসেন। তারা লাশ শনাক্ত করেন।

নিহত সোহাগের ভাই মো. শাওনের তথ্যমতে, গত বুধবার বেড়াতে গিয়ে তার বড় ভাই নিখোঁজ হন। এর পর থেকে তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফেসবুকে ছবি দেখে রূপগঞ্জ থানায় এসে লাশ শনাক্ত করেন। তার ভাই ফাস্ট ফুড বার্গার ও স্যাটেলাইট ক্যাবল নেটওয়ার্কের ব্যবসা করতেন বলে তিনি জানান।

নিহত শিমুলের স্ত্রী আয়েশা আক্তার আন্নি জানান, গত বুধবার বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস থেকে তার স্বামীসহ অন্যদের সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায়।

দুটি মাইক্রোবাস ও একটি গাড়িতে করে তাদের তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে শিমুল নিখোঁজ ছিলেন। তার মুঠোফোন বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে থানায় এসে তিনি স্বামীর লাশ শনাক্ত করেন। তার স্বামী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন বলে জানান তিনি। তাদের এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।

পরে ওসি মনিরুজ্জামান মনির জানান, নিহত যুবকদের স্বজনেরা লাশ শনাক্ত করেছেন। তবে ওই যুবকদের বিরুদ্ধে কোন মামলা রয়েছে কি না, তা জানাতে পারেননি তিনি।