ক্লাস চলাকালিন অজ্ঞান স্কুলছাত্রী, ডাক্তার জানালো তার পেটে….!

0
155

ক্লাস চলাকালিন- আমাদের সমাজে এখনো অনেক ঘটনা ঘটে যা আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়ে যায়। কিছু মেনে নেয়া যায় আবার কিছু মেনে নেইয়া যায়না। সাম্প্রতি ভারতের চেন্নাই শহরের ঘটে গেছে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা।

সেখানের দশম শ্রেণীর ছাত্রী স্কুলে ক্লাস চলাকালিন সময়ে হঠাত্ই অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তার পরিবারকে খবর দেয়া হলে তারা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। ডাক্তার জানায় তাদের মেয়ের তার পেটে বাচ্চা! সে গর্ভবতী।

জানা গেছে, ছাত্রীটিকে স্থানীয় হাসপাতাল গর্ভবতী ঘোষণা করার পরই, তাকে গর্ভপাতের জন্য শনিবার একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায় তার মা।

বিষয়টি অনৈতিক বলে হাসপাতালের তরফে জানানো হলেও, ছাত্রীর পরিবার তা মানতে নারাজ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চাপ দিতে শুরু করেন তাঁরা। বাধ্য হয়েই পুলিসে খবর দেওয়া হয় হাসপাতালের পক্ষ থেকে।

পুলিশ এসে ছাত্রী ও তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। সেখানেই তারা স্বীকার করে সম্প্রতি এলাকার এক ঠিকা কর্মীর সঙ্গে পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়েছে ছাত্রীটির।

তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতাও বেড়েছে। জেরার মুখে ছাত্রীটি স্বীকার করে নেয় তাকে জোর করেই শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত করে ওই যুবক। গোটা ঘটনাটি জানার পরই শনিবার বিকেলে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত যুবককে।

তার বিরুদ্ধে পোসকো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনা ভারতে দারুন সাড়া ফেলে দেয়।

‘মানবাধিকারকর্মী’র বাসায় অর্ধমৃত গৃহকর্মী!

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে এক কিশোরী গৃহকর্মীকে অর্ধমৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরীর নাম হাওয়া (১৪)। বুধবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে অভিযোগ পেয়ে ওই বাড়িতে যায় পুলিশ।

পরে হাওয়াকে উদ্ধার করা হয়। বিকেলে তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই সময়ে আটক করা হয় ওই বাড়ির গৃহকর্তা মানবাধিকারকর্মী শরীফ চৌধুরীকে।

জানা যায়, হাওয়া কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার নগরকুল গ্রামের বাসিন্দা শুনু মিয়ার মেয়ে। চার সন্তানের মধ্যে সে সবার বড়। দক্ষিণ বনশ্রীর ই ব্লকের রোড ৮/২-এর ৪৩ নম্বর বাড়ির ছয় তলায় শরীফ চৌধুরীর বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত হাওয়া।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা মেয়েটিকে উদ্ধার করতে শরীফ চৌধুরীর বাসায় যাই। আমাদের দেখে শরীফ তাঁর ক্ষমতা প্রদর্শন করতে থাকেন।

নিজেকে তিনি মানবাধিকারকর্মী বলে দাবি করেন। একপর্যায়ে হাওয়াকে আমাদের সামনে হাজির করতে বাধ্য হন তিনি। কাজের ভুল হলেই হাওয়াকে নির্যাতন করা হতো বলে স্বীকার করেন তিনি।’

হাওয়ার মামাতো বোন শাহানাজ জানান, চার মাস আগে কাজের জন্য হাওয়াকে শরীফ চৌধুরীর বাসায় পাঠানো হয়। প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা বেতন দেওয়ার কথা বলেন শরীফ।

কাজে পাঠানোর পর থেকেই হাওয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা দেখা করতে দেননি। টানা চার মাস কোনো খোঁজ না পেয়ে তারা খিলগাঁও থানা পুলিশের শরণাপন্ন হন। পরে পুলিশ গিয়ে ওই বাসা থেকে অর্ধমৃত অবস্থায় হাওয়াকে উদ্ধার করে।