এত দুর্বল চিত্তের লোক আমার সঙ্গে থাকার দরকার নেই: প্রধানমন্ত্রী

0
34

এত দুর্বল চিত্তের লোক- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘এত দুর্বল চিত্তের লোক দিয়ে কী চলে? আন্দোলন বলতে যা বোঝায় তা তো ওরা করতেই পারেনি।

আন্দোলন মানে রোদে পুড়বে, বৃষ্টিতে ভিজবে। এমন তো কিছু ঘটে নাই। ছাত্রদের আন্দোলনে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। ভয়ের কিছু নেই। এরা কতদূর যেতে পারে সেটাও আমার জানা ছিল। এত দুর্বল চিত্তের লোক আমার সঙ্গে থাকার দরকার নেই, না থাকাই ভালো।’







সোমবার (০৬ আগস্ট) সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ছাত্ররা আন্দোলনে দেশ স্থবির করে দিয়েছিল—মন্ত্রীদের এমন কথার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সরকার কোনো রকম বিব্রত নয় বলেও মন্ত্রিসভার সদস্যদের জানান তিনি। বৈঠকে উপস্থিতি কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় ফেসবুক সমস্যা করেছে-একজন মন্ত্রীর এমন মন্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসলেই ফেসবুক একটা সমস্যাই। অনেক খবরাখবর হয়তো নিতে পারেনি।’







সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-তে সর্বোচ্চ ৫ বছরের পরিবর্তে ৭ বছরের সাজা রাখার প্রস্তাব করেছিলেন মন্ত্রীরা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওরা (আইন মন্ত্রণালয়) যখন একটা সুপারিশ করে পাঠিয়েছে তখন ৫ বছরই থাকুক। অনেক কিছু ঘেঁটেই তারা আইনটি করেছে।’

নতুন আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কথা বলা নেই। এক্ষেত্রে ‘মোবাইল কোর্ট’ নতুন আইনে থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সভায় সড়ক পরিবহন বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম জানান, বিআরটিএ-তে রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা অধিক। কিন্তু লাইসেন্সের সংখ্যা কম। তখন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘এডিবির সঙ্গে আমরা একটা চুক্তি করেছি। তারা দক্ষ এক লাখ গাড়িচালক তৈরিতে সহায়তা দেবে।’







বৈঠকের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোনও কথা বলেননি নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। বৈঠকের শেষে তিনি বলেছেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা আগের চেয়ে কমেছে।’

সভায় গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘দেশে এত রুট। কোনও রুটে ওয়েট মেশিন নেই। শুধু আমার ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে মেশিন বসানো হয়েছে। এর কারণ কী?’

জবাবে সড়ক বিভাগের সচিব বলেন, দেশের আরও ৪০টি হাইওয়েতে ওয়েট মেশিন বসানোর প্রক্রিয়া চলছে।