ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন কুমিল্লায় আসা ব্রাজিলের সেই তরুণী!

0
39

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ- ধর্ম, সমাজ, রাষ্ট্র ও সংস্কৃতিসহ সব বাধা অতিক্রম করে সুদূর ব্রাজিল থেকে প্রেমের টানে লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউপির দোখাইয়া গ্রামে ছুটে এসেছেন ২৫ বছর বয়সী জুলিয়ানা।

এরপর ঘর বাঁধেন ওই গ্রামের আবুল খায়েরের ছোট ছেলে বাহরাইন প্রবাসী আবদুর রব হিরুর সঙ্গে। ৩১ অক্টোবর ঢাকার কাকরাইলে একটি কাজী অফিসে বিয়ে করেন তারা।

জানা গেছে, হিরু সিলেট মদন মোহন কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে শেষবর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় জীবিকার তাগিদে পাড়ি জমান প্রবাসে।

বছর খানেক আগে দেশে আসেন তিনি। সোমবার সরেজমিন উপজেলার দোখাইয়া গ্রামে গেলে কথা হয় প্রেমিক হিরুর বাবা আবুল খায়েরের সঙ্গে।

তিনি জানান, হিরু স্ত্রীকে নিয়ে এখন ঢাকায় আছেন। পরে টেলিফোনে হিরু জানান, ২০১২ সালে বাহরাইনে ইংরেজি ভাষা শিক্ষা সেন্টারে জুলিয়ানার সঙ্গে পরিচয় হয় তার। এরপর ফেসবুকে কথা বলতে বলতে একসময় একে অন্যের প্রেমে পড়ে যান।

হিরু বলেন, এরপর জুলিয়ানা তার বাবা মারকোর্স জিয়ানিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নেন। ৩১ অক্টোবর জুলিয়ানা তার বাবাকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন।

পরে কাকরাইল কাজী অফিসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে জুলিয়ানা। এরপর পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয় তাদের। পরে মিরপুর-২ এ একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন তারা।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহর রহমতে আমরা সুখে আছি। এর মধ্যে জুলিয়ানা ও তার বাবাকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাই। জুলিয়ানা কিছু বাংলা বলতে শিখেছে। আমাদের পরিবারের সবাই দারুণ খুশি।

হিরুর ব্রাজিলিয়ান স্ত্রীকে দেখতে তার গ্রামের বাড়িতে ভিড় করে আশপাশের অসংখ্য নারী-পুরুষ। ১ নভেম্বর হিরুর বাবা স্থানীয় প্রায় ৩০০ লোকের জন্য মেজবানের আয়োজন করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গোবিন্দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নিজাম উদ্দিন শামীম বলেন, বিষয়টি প্রথমে ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম হিরু মিয়া প্রবাসে থাকাকালীন ব্রাজিলের তরুণীর সাথে ফেসবুকে সম্পর্ক তৈরি হয়।

তিনি বলেন, পরবর্তী হিরু মিয়ার অনুরোধে বাবাকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন ঐ তরুনী। ঢাকার গুলশানে তাদের বিয়ে হয়। রবিবার লাকসামে তার নিজ গ্রামে বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এদিকে কুমিল্লার লাকসামে পরিবারের অতিথেয়তা তাকে মুগ্ধ করেছে হিরুর ব্রাজিলিয়ান বউ ও শ্বশুরকে। রিক্সায় ঘুরে বেড়িয়েছেন গ্রামীণ জনপদ। ভালো লেগেছে বাঙালি সংস্কৃতি। বাংলা শেখার চেষ্টা করেছেন। ভিনদেশি এ ললনার আচরণে মুগ্ধ প্রেমিক হিরু মিয়ার পরিবার। গ্রামের লোকজনও মহাখুশি।

প্রেমের টানে আসা ব্রাজিলিয়ান তরুণী বাংলা বলতে পারে!

ধর্ম, সমাজ, রাষ্ট্র ও সংস্কৃতিসহ সব বাধা অতিক্রম করে সুদূর ব্রাজিল থেকে প্রেমের টানে লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউপির দোখাইয়া গ্রামে ছুটে এসেছেন ২৫ বছর বয়সী জুলিয়ানা।

এরপর ঘর বাঁধেন ওই গ্রামের আবুল খায়েরের ছোট ছেলে বাহরাইন প্রবাসী আবদুর রব হিরুর সঙ্গে। ৩১ অক্টোবর ঢাকার কাকরাইলে একটি কাজী অফিসে বিয়ে করেন তারা। জানা গেছে, হিরু সিলেট মদন মোহন কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে শেষবর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় জীবিকার তাগিদে পাড়ি জমান প্রবাসে।

বছর খানেক আগে দেশে আসেন তিনি। সোমবার সরেজমিন উপজেলার দোখাইয়া গ্রামে গেলে কথা হয় প্রেমিক হিরুর বাবা আবুল খায়েরের সঙ্গে।

তিনি জানান, হিরু স্ত্রীকে নিয়ে এখন ঢাকায় আছেন। পরে টেলিফোনে হিরু জানান, ২০১২ সালে বাহরাইনে ইংরেজি ভাষা শিক্ষা সেন্টারে জুলিয়ানার সঙ্গে পরিচয় হয় তার। এরপর ফেসবুকে কথা বলতে বলতে একসময় একে অন্যের প্রেমে পড়ে যান।

হিরু বলেন, এরপর জুলিয়ানা তার বাবা মারকোর্স জিয়ানিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নেন। ৩১ অক্টোবর জুলিয়ানা তার বাবাকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন।

পরে কাকরাইল কাজী অফিসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে জুলিয়ানা। এরপর পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয় তাদের। পরে মিরপুর-২ এ একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন তারা।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহর রহমতে আমরা সুখে আছি। এর মধ্যে জুলিয়ানা ও তার বাবাকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাই। জুলিয়ানা কিছু বাংলা বলতে শিখেছে। আমাদের পরিবারের সবাই দারুণ খুশি।

এদিকে হিরুর ব্রাজিলিয়ান স্ত্রীকে দেখতে তার গ্রামের বাড়িতে ভিড় করে আশপাশের অসংখ্য নারী-পুরুষ। ১ নভেম্বর হিরুর বাবা স্থানীয় প্রায় ৩০০ লোকের জন্য মেজবানের আয়োজন করেন।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন কুমিল্লায় আসা ব্রাজিলের সেই তরুণী!

মাংস কিনতে গিয়েছিলেন মা, ফিরে এসে স্বামীকে দুই মেয়ের সঙ্গে যে অবস্থায় দেখলেন…

মায়ের কাছে দুই বোন বায়না করেছিল মাংস খাবার। দুই মেয়েকে ঘরে রেখে তাই বাজারে মাংস কিনতে গিয়েছিলেন মা। ঘরে ছিলেন তাদের বাবাও। বাজার থেকে বাড়িতে ফিরে ঘরের চৌকাঠ পেরোতেই মা দেখলেন, রক্তে ভেসে যাচ্ছে মেঝে। দরজা খুলে ভিতরে ঢুকতেই হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেল তাঁর।

বিছানার ওপর পড়ে রয়েছে বড় মেয়ে। গলার নলি কাটা, মাথায় গভীর ক্ষত। বিছানার চাদর রক্তেমাখা। পাশের ঘরে যেতেই দেখেন মেঝেতে পড়ে রয়েছে তাঁর ছোটো মেয়ে। তারও কান ও মাথায় গভীর ক্ষত। ঘরে কোত্থাও নেই তাঁর স্বামী। কিছুক্ষণের মধ্যেই গোটা বিষয়টি পরিস্কার হয়ে গেল তাঁর কাছে। তাহলে স্বামীই…

হলদিয়ার ভবানীপুর থানা এলাকার বড়বাড়ি গ্রামে রবিবার রাতে ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। নিজেরই দুই মেয়েকে গলার নলি কেটে খুনের অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অন্তত তেমনটাই অভিযোগ ওই ব্যক্তির স্ত্রী।

বিপ্লব দাস তেমন কোনও কাজ করতেন না। মাঝেমধ্যে ঠোঙা বানিয়ে কিছু দোকানে দিতেন। স্ত্রী সাগরিকাই নানা কাজ করে সাংসারের হাল ধরে রেখেছিলেন। দুই মেয়ে সীমা(১৪) ও পুজা(১০) বেশিরভাগ সময়ে তাদের মামাবাড়িতেই থাকত।

নুন আনতে পান্তা ফুরনোর সংসারে অশান্তি ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। বিপ্লবের সঙ্গে সাগরিকার ঝগড়া হত না, এমন কোনও দিন ছিল না বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। তবে রবিবার তাঁদের মধ্যে কোনও অশান্তি হয়নি।

রবিবার বাড়িতেই ছিল দুই মেয়ে। সাগরিকা জানান, সীমা ও পূজা তাঁর কাছে মাংস খাওয়ার জন্য বায়না করেছিল। তাই বাজারে মাংস কিনতে গিয়েছিলেন তিনি। ফিরে এসে এই ঘটনা দেখেন। তাঁর অভিযোগ, স্বামীই খুন করেছে দুই মেয়েকে।

কিন্তু কেন? এই প্রশ্ন নিয়েই ধোঁয়াশা বেঁধেছে। মনে করা হয়েছে, আর্থিক অনটনের কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বিপ্লব। পারিবারিক অশান্তির কারণেই দুই মেয়েকে খুন করেছেন তিনি।

প্রতিবেশীরা জানান, সাগরিকা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিপ্লবকে রাস্তায় বেশকিছুক্ষণ ঘুরে বেড়াতে দেখেছেন তাঁরা। বিপ্লবকে দেখে খুব অস্থির মনে হয়েছিল তাঁদের। কিন্তু এত বড় যে কাণ্ড ঘটে গিয়েছে, তা আঁচও করতে পারেননি কেউ।

সাগরিকা যখন বাজার থেকে ফিরে আসেন, তখন আর বিপ্লবকে এলাকায় দেখা যায়নি। তবে সাগরিকার অভিযোগের ভিত্তিতে রাতভর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বিপ্লবকে গ্রেফতার করে পুলিস। তদন্ত শুরু হয়েছে।

এবার ২০ লিটার দুধ থেকে তৈরি ২০ মণ দুধ!

বগুড়ার শিবগঞ্জে কেমিক্যাল দিয়ে ভেজাল দুধ তৈরি করে বাজারে বিক্রির অপরাধে আবদুল করিম (২০) নামে এক দুধ বিক্রেতাকে ২০ দিনের জেল দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গত রবিবার সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার হাটে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই দণ্ড দেন জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জগৎবন্ধু মণ্ডল।

জানা যায়, উপজেলার বিহার হাট এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে আব্দুল করিম। হাটের পাশে ভাসুবিহার গ্রামে তার বাড়ি। আবদুল করিম ২০ লিটার দুধ থেকে ২০ মণ দুধ তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতো।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিহার হাটের উত্তর পাশে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নকল দুধ উৎপাদন করে বাজারজাত করে আসছিল। আশপাশের কয়েকজন দুধ বিক্রেতার কাছ থেকে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ লিটার দুধ ক্রয় করে।

তার কারখানায় চিনি, খাবার সোডা, গ্লুকোজ ও সোয়াবিন ব্লেন্ডারের মাধ্যমে মিশিয়ে তৈরি করে নকল দুধ। এসব দুধে যাতে পচন না ধরে সেজন্য নকল দুধে নিয়মিত সোডিয়াম বেনজয়েড নামে কেমিক্যাল মেশানো হতো।

ভ্রাম্যমাণ আদালত জানায়, আব্দুল করিম প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ লিটার গরুর দুধ ক্রয় করলেও সে নকল দুধ উৎপাদন করতো ১৫ থেকে ২০ মণ। এসব নকল দুধ সে বগুড়া শহরে সরবরাহ করতো। শহর থেকে বেশ কয়েকজন বিক্রেতার মাধ্যমে সে এসব নকল দুধ বিক্রি করে আসছিল।

ভ্রাম্যমান অভিযানের সময় তার নকল দুধের কারখানা থেকে ২শ লিটার নকল দুধ, ৩ কেজি সোয়াবিন, আড়াই কেজি চিনি, গ্লুকোজ ৩ কেজি, খাবার সোডা ২ কেজি, আড়াইশ গ্রাম সোডিয়াম বেনজয়েড নামের কেমিক্যাল ও ২টি ব্লেন্ডার মেশিন জব্দ করা হয়।

নকল দুধ উৎপাদন করে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে ফেলার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালত তাকে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন এবং জব্দকৃত উপকরণ ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয়রা জানান. তারা বাবা গোলাম মোস্তফা অভাব-অনটনে সংসার চলতো। তিনি গ্রাম থেকে দুধ নিয়ে গিয়ে শহরে ফেরি করে বিক্রি করতো। তার ছেলেও এ পথে আসে। কিছুদিন বাদেই তার ছেলে কাড়ি কাড়ি টাকা রোজগার করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্য ছাড়াও বগুড়া পৌরসভার স্বাস্থ্য পরিদর্শক শাহ আলী খান উপস্থিত ছিলেন।