মেয়েকে হত্যা করে পাওনাদারদের ফাঁসানোর চেষ্টা, বাবা গ্রেফতার

0
56

মেয়েকে হত্যা করে- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) পানি শাখার কর্মচারী কাজী গোলাম মোস্তফা ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা পরিশোধ করতে না পেরে নিজ মেয়েকে হত্যা করে পাওনাদারদের ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিলেন। এই ঘটনায় পিতা গোলাম মোস্তফাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত মঙ্গলবার সকালে মেয়ে সাবিয়া আক্তার অথৈকে (১১) নগরীর সদর রোডের অনামী লেনে বিসিসির পাম্প হাউজে নিয়ে বিষ খাইয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি। সাপানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন অথৈ।

পরে মরদেহে বোরখা পড়িয়ে সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের সাপানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংলগ্ন একটি লেবু বাগানে মরদেহ ফেলে রেখে যায়। পরে ময়নাতদন্ত শেষে অথৈর মরদেহ ওই দিনই তাদের পরিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।

পুলিশ ওই হত্যাকাণ্ডের পর তাৎক্ষণিক কোনো ক্লু না পেলেও অথৈর বাবা বার বার তার পাওনাদারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছিলেন। পাওনাদারদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ ওই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য না পাওয়ায় অথৈর বাবাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে। এক পর্যায়ে পাওয়ানারদের ফাঁসাতে মেয়ে অথৈকে হত্যার কথা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে গোলাম মোস্তফা।

বুধবার বেলা ১২টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) কমিশনার কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বিএমপি কমিশনার মোশারফ হোসেন।

তবে মামলার তদন্তে স্বার্থে পাওনাদারদের নাম-পরিচয় জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন পুলিশ কমিশনার। এই হত্যার সাথে পরকীয়া প্রেম বা অন্য কিছুর সম্পর্কে নেই বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের মা সোহেলী ইসলাম রুমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে গতকাল মঙ্গলবার রাতে নগরীর কাউনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গোলাম মোস্তফাকে গ্রেফতার দেখিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হায়রে জীবিকার সন্ধানে মালয়েশিয়ায় যেয়ে লাশ হয়ে ফিরল রাজগঞ্জের মোস্তাক

মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের ঝাঁপা ইউনিয়নের হানুয়ার গ্রামের দরিদ্র মফিজুর রহমান মোড়লের ছেলে মোস্তাক আহমেদ মোড়ল (২১) জীবন-জীবিকার সন্ধানে স্বপ্নের দেশ মালয়েশিয়ায় যেয়ে লাশ হয়ে ফিরেছেন ৷

গতকাল ৪ নভেম্বর ( রবিবার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিহত মোস্তাকের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌছালে সেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়৷

দরিদ্র পিতা সন্তানের নিথর দেহ দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে যান৷ মা লাশের পাশে বার বার ছুটে যাচ্ছেন প্রিয় ছেলের মুখ খানা একবার দেখার জন্য৷ পরিবারের অন্য সদস্যরা কাদছেন অঝোর ধারায়৷ উপস্থিত গ্রামবাসি তাদের শান্তনা দেওয়ার কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না৷

নিহতের বড় ভাই মনিরুল ইসলাম মোড়ল জানান, আমাদের তিন ভাইয়ের মধ্যে মোস্তাক মেঝ৷ জীবিকার জন্য গত দুই বছর আগে স্বপ্নের দেশ মালয়েশিয়ায় যায় মোস্তাক৷

নিয়তির কাছে হার মানতে হয়েছে তাকে৷ গত ১৯ অক্টোবর (শুক্রবার) বিকাল ২টির দিকে দেশটির পেনাং প্রদেশের জালান বেরকামবার পায়া টেরুবোং রিলাউ-এর কাছে নির্মাণস্থলে ওইদিন মুষলধারায় বৃষ্টির কারণে ভূমি ধসের সৃষ্টি হয়৷

সেই ভূমি ধসে মোস্তাক ঘটনাস্থলে নিহত হয়৷ সেখান থেকে মোস্তাকের মৃত দেহ উদ্ধারের পর কাগজপত্র প্রসেস করে মৃত্যুর ১৭দিন পর গতকাল ৪ নভেম্বর (রবিবার) সকালে নিহতের লাশ এ্যাম্বুলেন্স করে গ্রামের বাড়িতে আনা হয়৷ পরে স্থানীয়ভাবে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়৷

ক্যানসার আক্রান্ত শিশুকে দেখে সালমানের চোখে অশ্রু

বলিউডের ‘ব্যাড বয়’ তিনি। মাথার উপর ঝুলছে একাধিক মামলা। কিন্তু শিশুদের সঙ্গ পেলেই হল! বাচ্চাদের সঙ্গে একেবারে বাচ্চা হয়ে যান সালমান খান। সামনে এসে পড়ে মাচো ইমেজের পিছনে সযত্নে লুকিয়ে রাখা নরম মনটা। ফের এক বার তার প্রমাণ মিলল। ক্যানসার আক্রান্ত শিশুকে দেখতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন তিনি।

মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে মরণব্যাধি ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে এক শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। ছোট্ট ছেলেটির ইচ্ছে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে সরাসরি দেখার।

তার এই ইচ্ছা পূরণ করতে গোবিন্দ নামের একজন ছুঁটে যান সালমানের কাছে। গোবিন্দ জানান, তার এক আত্মীয়ের ছেলে ক্যানসার আক্রান্ত। মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে সে ভর্তি আছে। শিশুটি সালমনের বিরাট ভক্ত। এক বার যদি ‘ভাইজান’ তাকে দেখতে যেতেন।

অনুরোধ পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান ভাইজান। ক্যানসার আক্রান্ত ওই শিশুটির সঙ্গে দেখা করেন এবং বেশ কিছুক্ষণ তার সঙ্গে কাটান। হাসপাতালের বেডে শিশুটিকে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন সালমান।

সেই ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যায়, ছেলেটির সঙ্গে কথা বলছেন সালমান খান। একপর্যায়ে মাথা নিচু করে চোখের পানি মুছতে দেখা যায় সালমানকে।

ইনস্ট্রাগ্রামে ভিডিওটি শেয়ার দেয় সালমান খানের এক ভক্ত। এরপরই বিষয়টি সবার নজরে আসে।

ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ শেষে যা বললেন ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা সংবিধানের বাইরে যাব না। সংলাপে আমাদের মধ্যে মনখুলে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা আজকে যে দাবিগুলো নিয়ে এসেছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে, সে বিষয়ে তার ঐক্যমত চান। নিশ্চয়তা চান। তিনি বলেন, তারা চেয়েছেন সংসদ ভেঙে দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন।

‌‘এছাড়া তারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ও রাজবন্দিদের মুক্তি চেয়েছেন, এ বিষয়ে তাদের দাবি মেনে নিতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই,’ বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর মেজিস্ট্রেসি পাওয়ার নিয়ে তারা যা বলেছেন, তা আমাদের দেশে চালু নেই। তবে সেনাবাহিনী টাস্কফোর্স হিসেবে থাকবে, স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবে।

তারা বেগম জিয়ার মুক্তি ওইভাবে চাননি, জামিন চেয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা বলেছি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৭ সালে এ মামলা করেছে। এটি আগেই নিষ্পত্তি করা যেতো, কিন্তু তারা দেরি করেছেন। এখন আদালত তাকে দণ্ড দিয়েছেন।

‌‘তারা আদালতের কাছে জামিন চাইতে পারেন, আদালত যদি তাদের জামিনে মুক্তি দেয়, তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’

তিনি বলেন, তাদের সাত দফার অধিকাংশ দাবি মেনে নিতে আমাদের নেত্রী সম্মত হয়েছেন। তবে তারা এমন কিছু নিয়ে এসেছেন, সেগুলো নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার একটা বাহানা।