বিয়ের আগে যা খাবেন না

0
61

বিয়ের আগে যা- সামনে বিয়ে? তবে সাবধান হতে হবে এখনই। প্রয়োজন স্বাস্থ্য সচেতনতা। কারণ বিয়ের আগের এই সময়ে অনেকেই টেনশন, স্ট্রেসে ভোগেন।

এসব সমস্যার কথা চিন্তা করেই কয়েকটি খাবার না খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডায়েটিশিয়ানরা।

কফি – স্ট্রেস কমানো জন্য কফি খুবই উপকারি। কিন্তু বিয়ের অন্তত এক মাস আগেই ছাড়তে হবে কফি। কারণ এ সময় বেশি ঘুমের খুব প্রয়োজন। কফি খেলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে এবং চেহারায় ক্লান্তির ছাপ পড়তে পারে। অ্যাসিডিটির সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই বিয়ের আগে কফিকে না বলুন।

শুকনো ফল – এ ধরনের ফল স্বাস্থ্যকর হলেও বিয়ের আগে খাওয়া যাবে না। কারণ শুকনো ফলে ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকে। যা খেলে ওজন বাড়তে পারে।

কার্বনেটেড পানীয় – সফট ড্রিঙ্কের মধ্যে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে। যা শরীরের ওজন বাড়ায় এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। তাই বিয়ের আগে কার্বনেটেড পানীয় দূরে রাখুন।

জাঙ্ক ফুড – মন ভালো করার জন্য পিজ্জা, বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এর জুড়ি নেই। কিন্তু এই খাবার গুলো হজমের সমস্যা বাড়ায়। তাই এই খাবার গুলো না খাওয়াই ভালো।

যা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয় না

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকে কিছু কিছু প্রিয় খাবার বাদ দিতে হয় খাবারের তালিকা থেকে। কিন্তু এমনকিছু খাবার আছে যা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য আর ধারেকাছে ঘেঁষতে পারে না। চেষ্টা করুন প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এই খাবারগুলোর অন্তত কোনো একটি রাখতে। চলুন জেনে নেই কী খেলে আর কোষ্ঠকাঠিন্য হবে না-

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে মৌরি। ডায়জেস্টিভ ট্র্যাকের যে পেশি রয়েছে তার সঞ্চালন যাতে ঠিকমতো হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে মৌরি। ফলে বদ-হজম, পেট গোলানো, কনস্টিপেশনের মতো নানাবিধ রোগ একেবারে সেরে যায়। এক্ষেত্রে এককাপ মৌরি নিয়ে ভালো করে ভেজে ফেলতে হবে। তারপর ভাজা মৌরিগুলি গুঁড়া করে নিয়ে একটা শিশিতে সংরক্ষণ করবেন। প্রতিদিন এই গুঁড়া মৌরি হাফ চামচ করে গরম পানিতে গুলে খেলে নিমেষে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

তিসিতে রয়েছে বিপুল পরিমাণে ফাইবার এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা পেট পরিষ্কার রাখতে নানাদিক থেকে সাহায্য করে। একগ্লাস পানিতে ১ চামচ তিসি বীজ গুলে অন্তত ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। রাতে শুতে য়াওয়ার আগে পান করুন সেই পানি। সকালে পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে।

প্রতিদিন মধু খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রাকৃতিক এই উপাদানটিতে এমন কিছু রয়েছে, যা জোলাপের মতো কাজ করে। ফলে মধু খাওয়া মাত্র পেট পরিষ্কার হতে শুরু করে দেয়। এক্ষেত্রে দিনে ৩ বার, এক গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ করে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে খেতে হবে।

প্রতিদিন পালংশাক খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। তাই যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে তাহলে হয় রান্না করে, নয়তো কাঁচা অবস্থাতেই পালংশাক খাওয়া শুরু করে দিন। দেখবেন অল্প দিনেই কষ্ট কমে যাবে। আরেকভাবে পালংশাককে কাজে লাগানো যেতে পারে। একগ্লাস পানির সঙ্গে ১ গ্লাস পালংশাকের রস দিনে দুইবার করে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের কোনো নাম গন্ধই থাকে না। বাঁধাকপিও ঠিক একই কাজ করে।

আঙুরে উপস্থিত অদ্রবণীয় ফাইবার, পেট পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় দিনে আধ বাটি কাঁচা আঙুর অথবা আঙুরের রস খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এমনটা করলেই দেখবেন সকালগুলো সুন্দর হয়ে উঠবে।