জানা গেল জি বাংলার ‘সারেগামাপা’ চমকে দেওয়া কে এই অবন্তী?

0
179

জানা গেল জি বাংলার- গত শনিবার রাতে ফেসবুকের ওয়ালজুড়ে এশিয়া কাপ ক্রিকেটে তামিম-মুশফিকদের বন্দনার পাশাপাশি প্রশংসায় ভেসেছেন জামালপুরের মেয়ে অবন্তী সিঁথিও। ভারতের জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘সারেগামাপা’য় অংশ নিয়ে একেবারে চমকে দিলেন বাংলাদেশের এই মেয়ে। ।

কণ্ঠের জাদুর সঙ্গে হৃদয় কাঁপানো শিস আর গানের ভিন্ন রকম উপস্থাপনা দিয়ে তিনি বাজিমাত করেছেন। তার পরিবেশনায় মুগ্ধ হয়ে তাকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন প্রতিযোগিতার মূল বিচারক শ্রীকান্ত আচার্য, শান্তনু মৈত্র, কৌশিকী চক্রবর্তী, মোনালী ঠাকুর। তাদের সঙ্গে নিজেদের মুগ্ধতা প্রকাশ করেন অতিথি বিচারক পণ্ডিত তন্ময় বোস, রূপঙ্কর বাগচী, জয় সরকার ও শুভমিতাও। শিস দেয়ার ধরনে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে বিচারক পণ্ডিত তন্ময় বোস তো অবন্তীর নামটাই পাল্টে দিলেন। তাকে বলেন, ‘আপনার নাম শিস প্রিয়া।’

ফেসবুক জুড়ে দেখা যাচ্ছে ‘সারেগামাপা’য় অবন্তীর পরিবেশনার ভিডিওটি। শত ইস্যুর ভিড়ে এদেশের নতুন ইস্যু তিনি। সবাই জানতে চাইছেন, কে এই ভাইরাল হওয়া অবন্তী? এই শিল্পীর ফেসবুক আইডি ঘেঁটে ও খোঁজ নিয়ে জানা গেল, জামালপুরের মেয়ে অবন্তী সিঁথি। সেখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা। জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক আর দিগপাইত শামসুল হক ডিগ্রি কলেজে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেছেন। এর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন শাস্ত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন।

বর্তমানে ঢাকারই বাসিন্দা তিনি। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যুক্ত। তবে অবন্তীর নেশায় রয়েছে গান। স্কুল কলেজে থাকতেই গান গেয়ে পরিচিতি পান তিনি। গিটার আর হারমোনিয়াম বাজানোও শিখেছেন ছোটবেলায়।

২০০৩ ও ২০০৪ সালে লোকগান ও নজরুলসংগীত গেয়ে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৫ সালে ক্ল্যাসিক্যাল ও লোকসংগীত গেয়ে অর্জন করেছেন ‘ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান স্বর্ণপদক’। ২০১২ সালে তিনি ‘ক্লোজআপ ওয়ান তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতাতে অংশ নিয়ে সেরা ১০ জনের তালিকায় ছিলেন।

পরবর্তীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। সেখান থেকে নিয়মিত গান করতেন।

গান গাওয়ার পাশাপাশি ব্যতিক্রমী উপস্থাপনা অবন্তীর মূল আকর্ষণ। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘কাপ সং’। এই বাদ্যের তালে ইউটিউবে অবন্তীর বেশ কিছু গানের ভিডিও রয়েছে যেগুলো বেশ জনপ্রিয়। বর্তমানে তিনি ইউটিউবে ‘ব্যালুন সং’ নিয়ে নিরীক্ষামূলক কাজ করছেন।

মাংখুটের তাণ্ডব, নিহত ৬৬

ফিলিপাইন, চীন ও হংকংয়ে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন মাংখুট। টাইফুনের আঘাতে এ পর্যন্ত ৬৬ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম।

চীনের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ গুয়াংদংয়ে ঘূর্ণিঝড়ের পাশাপাশি ভারী বর্ষণে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। লাখ লাখ মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদে সরে যেতে হয়েছে।

আলজাজিরা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ফিলিপাইনেই মারা গেছেন ৬৪ জন। আর চীনে দুজন নিহতের তথ্য দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

মাংখুট বর্তমানে চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিজিটিএন। সেখানে ১০০ কিলোমিটার গতিবেগে ঘূর্ণিঝড় বইছে।

ভোর ৬টায় গুয়াংজিপ্রদেশের হেংজিয়ান এলাকায় অবস্থান করছে এটি। দিনের মধ্যে এটি গুইজোউ, চংকিং ও ইউনানপ্রদেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

ফিলিপাইনে আঘাত হেনে তাণ্ডব চালিয়ে ৬৪ জনের প্রাণহানি ঘটিয়ে চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানে। এতে ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে বলে দেশটির আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মাংখুট এ বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। প্রায় ৪০ লাখের বেশি মানুষ সুপার টাইফুন মাংখুটের কবলে পড়েছে।