মেয়েটি বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করলো’ ডিম কত করে বিক্রি করছেন? তারপর…

0
156

বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করলো- মেয়েটি লোকটিকে জিজ্ঞেস করলো’ ডিম কত করে বিক্রি করছেন?
বৃদ্ধ বিক্রেতা বললো’ ম্যাডাম পাঁচ টাকা করে প্রতিটি।

মেয়েটি বললো, আমি ৬টি ২৫ টাকা দেব, না হয় চলে যাবো!

বৃদ্ধ বিক্রেতা উত্তর দিলো, আসেন ম্যাডাম নিয়ে যান আপনার দামে। হয়তো এটাই হবে আমার প্রথম শুধু কারন সারা দিন একটিও বিক্রি করতে পারিনি এখনো!

মেয়েটি ডিম কিনে জিতে গেছে ভেবে চলে গেল।

তারপর মেয়েটি তার দামী গাড়ীতে চড়ে তার বন্ধুর সাথে অভিজাত রেস্তোরাতে গেলো। সেখানে, সে আর তার বন্ধু তাদের পছন্দসই অনেককিছু অর্ডার করলো। কিন্তু তারা যা অর্ডার দিলো তার স্বল্প খেলো আর বেশিরভাগ রেখে দিলো।

তারপর সে বিল দিতে গেল।বিল আসলো ১৪০০টাকা। সে দিলো ১৫০০টাকা এবং রেস্তোরা মালিককে বললো বাকিটা রেখে দিতে। এ ব্যাপারটা রেস্তোরা মালিকের কাছে খুবই স্বাভাবিক হতে পারে কিন্তু দরিদ্র ডিম বিক্রেতার কাছে খুবই বেদনাময়।

ইস্যু টা হচ্ছে, আমরা যখন হত দরিদ্র মানুষদের কাছ থেকে কিছু কিনি, কেন আমরা দেখায় আমাদের ক্ষমতা কত? এবং তাদের কাছে কেন এতো উদার হই যাদের ঐ বদান্যতা মুঠেও প্রয়োজন নেই?

আমি একটা কোথায় পড়েছি:

আমার বাবা দরিদ্র মানুষদের কাছ থেকে সাধারণ জিনিসপত্র কিনতেন চড়া দামে, যদিও উনার ঐগুলো প্রয়োজনীয় ছিলো না। মাঝেমাঝে উনি তাদেরকে অতিরিক্ত মূল্য দিতেন।

এ ব্যাপারটা নিয়ে আমি চিন্তিত হতাম এবং উনাকে জিজ্ঞেস করলাম কেন উনি এমন করেন?
তখন আমার বাবা উত্তর দিলেন,

মা, এটা হচ্ছে মর্যাদার চাদরে মোড়া দানশীলতা।
“It is a charity wrapped with dignity,my child!

কোন পরিবর্তন ছাড়া লেখাটি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

এক লোক ঘরে ঢুকে দেখে স্ত্রী কান্নাকাটি করছে, কারণ জানতে চাইলে সে বললো…

এক লোক ঘরে ঢুকে দেখে তার স্ত্রী কান্নাকাটি করছে। লোকটি স্ত্রীর কান্নার কারন জানতে চাইলে স্ত্রী বলল,”বাসার পাশে থাকা গাছের উপর বসে চড়ুই পাখিগুলো আমাকে হিজাব ছাড়া দেখে ফেলেছে। আল্লাহর অবাধ্য হলাম কিনা এই ভয়ে কান্না করছি।”

স্বামী খুশিতে স্ত্রীর দুচোখে চুমু খায় এবং তার পরহেজগারিতা ও আল্লাহ ভীতি দেখে বাজার থেকে কুঠার এনে গাছটি কেটে ফেলে যাতে পাখিরা গাছে বসে তার স্ত্রীকে বেআব্রু অবস্থায় আর না দেখতে পারে।

সেই লোকটি এক সপ্তাহ পর কাজ থেকে একটু তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে এসে বেডরুমে দেখে তার স্ত্রী পর পুরুষের হাতের উপর হাত রেখে ঘুমিয়ে আছে। লোকটি তখন তার স্ত্রীকে কিছু না বলে রাগে দুঃখে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিজ শহর ছেড়ে অন্য এক শহরে চলে যায়।

লোকটি দূরের এক শহরে পৌঁছে দেখে মানুষজন রাজার প্রাসাদের কাছে জড়ো হয়ে আছে। কারন জানতে চাইলে মানুষজন উত্তর দেয়,”রাজার ভান্ডার চুরি হয়েছে।”

এমন সময় পাশে এক লোক দেখে পায়ের আঙ্গুলের উপর ভর দিয়ে হেটে চলছে। লোকটি কে? জিজ্ঞেস করায়, লোকজন বলল,”উনি এই শহরের শাইখ।কোন পিঁপড়া উনার পায়ে পিষ্ট হয়ে মৃত্যুবরন করলে আল্লাহর অবাধ্য হন কিনা সেই ভয়ে তিনি এভাবে হাটেন।”

ওয়াল্লাহি! আমি চোরকে পেয়েছি। তোমরা আমাকে তাড়াতাড়ি রাজার কাছে নিয়ে চল। লোকটি রাজার কাছে গিয়ে বললো,”আপনার রাজ ভান্ডার চুরি করেছে শহরের ঐ শাইখ।

যদি না হয় তবে আমার কল্লা কেটে ফেলবেন।” রাজার প্রহরীরা শাইখকে ধরে আনে। জিজ্ঞাসাবাদের পর ঐ শাইখ চুরির কথা স্বীকার করে। রাজা লোকটিকে জিজ্ঞেস করে, তুমি কিভাবে বুঝলে সে চোর?

লোকটি তার স্ত্রীর কাহিনী বলে এবং আরও বলে, যখন দেখবেন কেউ হঠাৎ নিজ থেকে সাধু সাজে এবং ধর্মের কথায় মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে তখন বুঝে নিবেন সে বড় কোন অপরাধ ঢাকার চেষ্টা করছে এবং কঠিন অপরাধের সাথে জড়িত। অর্থাৎ অতি ভক্তি চোরের লক্ষন।

ঘুমিয়ে স্ত্রী, পাশেই নিজ মেয়েকে ধর্ষণ করলো বাবা

পরিবারও এখন আর নিরাপদ নয় মেয়েদের জন্য। যেখানে বাবা, ভাইয়ের কাছে ধর্ষণ হতে হয়, সেখানে পরিবার কীভাবে নিরাপদ থাকে? নিজ ঘুমন্ত মায়ের পাশেই ধর্ষণ হতে হয় মেয়ের তাও আবার বাবার পাশে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে ভারতের নয়ডার ফেজ-থ্রি থানা এলাকায়।

পুলিশ ও ধর্ষিতার মা জানায়, ধর্ষিতার বাবা-মা একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সপ্তাহে চার দিন কারখানায় কাজ করতে যেত অভিযুক্ত ওই ‌বাবা। ঘটনার দিন প্রচণ্ড ক্লান্তিতে অঘোরে ঘুমোচ্ছিলেন কিশোরীর মা। এই সুযোগে ঘরে ১২ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করেছে বাবা।

পরদিন মেয়ের রক্তমাখা জামা দেখে সন্দেহ হয় মায়ের। পরে মেয়েকে প্রশ্ন করে জানতে পারে আসল ঘটনা।

নির্যাতিতা ওই মেয়ে মাকে জানায়, কাউকে এই সব কথা বললে বাবা তাকে আর তার দুই ভাইকে খুন করে দেবে বলেছে।

এ ঘটনার পর মেয়ের ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। পরে থানায় মায়ের অভিযোগ ও রিপোর্টের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

রোজ রাতে মদ খেয়ে বাড়ি ফেরে। শুক্রবার রাতে শোওয়ার জন্য মেয়ে আর দুই ছেলেকে নিয়ে ঘরের মেঝেতে শুয়ে পড়ে মা। পরে মাটি থেকে মেয়ে আর দুই ছেলেকে বিছানায় তুলে নিয়ে যায় অভিযুক্ত বাবা। ওখানেই মেয়ের ওপর অত্যাচার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ৩৫ বছর বয়সী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ নম্বর ধারায়।

ধর্ষিতার মা কেন একই ঘরে শুয়ে তার মেয়ের কান্নাকাটি শুনতে পাননি, সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।