মাঠে নামার আগেই মাশরাফিদের হুমকি দিয়ে বসল আফগান অধিনায়ক

0
146

মাঠে নামার আগেই – রিসংখ্যান অনুযায়ী, ওয়ানডে ক্রিকেটে এ নিয়ে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান। এ পাঁচবারের দেকায় তিনবার জিতেছে বাংলাদেশ এবং দুইবার জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। মজার ব্যাপার হলো, সর্বশেষ মিরপুর শেরে-ই বাংলার ম্যাচে আফগানিদের ১৪১ রানে পরাজিত করে বাংলাদেশ।

কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপট বলছে ভিন্ন কথা। অর্থাৎ এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে একই দলের বিপক্ষে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান। সেক্ষেত্রে দুই দলেরই আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে, সমানে সমান। আর তাই হয়তো বৃহস্পতিবারের লড়াইয়ে নিজেদের এগিয়ে রাখলেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক আসগর স্তানিকজাই।

বাংলাদেশের বিপক্ষে লড়াইয়ের আগে বলেছেন, ‘এটি একটি কঠিন প্রশ্ন। আসলেই অনেক কঠিন। বাংলাদেশ দারুণ একটি দল আপনি জানেন কারণ তাদের অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে। তবে আফগানিস্তান দলটিকে দেখুন। তাদের গত দেড় বছরে দুর্দান্ত উত্থান হয়েছে এবং এই উত্থান মনে হয় না দ্রুতই থামবে।’

এসময় নিজেদের দলকে কিঞ্চিত এগিয়ে রেখে বলেছেন, ‘সবকিছু বিবেচনায় আমি আফগানিস্তানকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রাখছি।’

দুবাইয়ের দর্শকদের বাংলায় কৃতজ্ঞতা জানালেন মাশরাফি

দুবাই নাকি মিরপুর? এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচের গ্যালারি যেমন ছিল, তাতে ভ্রম হওয়ার কথা অনেকেরই। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের দর্শক সমর্থন ছিল তুমুল। এত সমর্থন মাশরাফি বিন মুর্তজার কাছে ছিল অবিশ্বাস্য। ম্যাচ শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মাতৃভাষায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

দুবাইসহ সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যান্য শহরে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি থাকেন। দর্শক সমর্থন তাই প্রবল হওয়ারই কথা ছিল। তবে যতটা হলো, সেটা চমকে দেওয়ার মতোই। টস জয় থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ১৩৭ রানের জয়ের প্রায় পুরো সময়টায় বাংলাদেশের পক্ষে গ্যালারিতে ছিল গর্জন। ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজা এক পর্যায়ে বললেন, “মাঠের ৯০ শতাংশ দর্শক সমর্থনই হয়ত বাংলাদেশের পক্ষে।”

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও দর্শকদের প্রসঙ্গ আনলেন রমিজ। হাসিমুখে মাশরাফি বললেন, “আমি এটুকু বাংলায় বলতে চাই!” বাংলাদেশ অধিনায়ক জয়টা উৎসর্গ করলেন দর্শকদের উদ্দেশে।

“আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। এটা অবিশ্বাস্য। প্রবাসী বাঙালি ভাইয়েরা যারা আছেন, দেশ থেকে যারা এসেছেন, যেভাবে সমর্থন দিয়েছেন আপনারা, আশা করি, আপনারা এভাবেই সমর্থন দিয়ে যাবেন। অবশ্যই এই জয় আপনাদের জন্য।”

দুবাইয়ের দর্শক সমর্থন যতটা স্বস্তির, ততটাই অস্বস্তির আবহাওয়া। মরুর প্রচণ্ড গরমে নাজেহাল হতে হয়েছে দলকে। তবে কন্ডিশন নিয়ে অভিযোগ নেই মাশরাফির।

“এটা কঠিন। তবে দেশের হয়ে খেলতে নামলে এসবকে অজুহাত দেওয়া যাবে না। সবকিছুই সামলাতে হবে। আজকে ভালো হয়েছে যে আমাদের আগে ফিল্ডিং করতে হয়নি। তবে টুর্নামেন্টের কোনো পর্যায়ে সেটিও করতে হবে। সেটির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে আমাদের।”