বন্ধু, এই টাকা তোমাকে ভালোবেসে দিলাম, শোধ করতে হবে না’

0
47

এই টাকা তোমাকে- ২০০৭ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের কথা মনে আছে? সেই ম্যাচে গ্রায়াম স্মিথ ও জ্যাক ক্যালিসকে সাজঘরে ফেরানো বোলারটি ছিলেন সৈয়দ রাসেল।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে বামহাতি পেসারদের মধ্যে শুরু থেকে নজর কাড়েন সৈয়দ রাসেল। গতি নির্ভর ছিলেন না রাসেল তবে ছিল নিখুঁত মাপা লাইন ও লেন্থ আর ছিল উইকেটের দু’দিকে সুইং করানোর ক্ষমতা। কিন্তু সেই রাসেল ইনজুরির কারণে সম্ভাবনাময় ক্রিকেট ক্যারিয়ারকে আর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন নি।

পান নি ক্রিকেট বোর্ড থেকেও সহায়তা কিংবা সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা। মাঝে কোমরের কঠিন ইনজুরিতে পড়েন। তবে সেই ইনজুরি থেকে রেহাই পাবার আগেই যুক্ত হয় বাম কাঁধের ইনজুরি।

অস্ত্রপচারের জন্য প্রয়োজন ছিল মোটা অর্থ। সৈয়দ রাসেলের অস্ত্রপচারের অর্থ সহায়তায় এগিয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তবে শর্ত ছিল, ধার দিবেন কিন্তু তা শোধ করতে হবে না।

২০১০ সালের জুলাই থেকে জাতীয় দলের বাইরে আছেন রাসেল। ইনজুরির কারণে ক্লাব-ক্রিকেটেও খেলতে পারছেন না। কাঁধের ইনজুরির অস্ত্রপচার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে করাতে লাগতো প্রায় ৮ লাখ টাকা।

অন্যদিকে ভারতের মুম্বাইতে করালে প্রায় চার লাখ। কিন্তু এতো পরিমাণ অর্থ রাসেলের কাছে ছিল না। একসময়ের বোলিং জুটি, বন্ধু মাশরাফির কাছে ধার চেয়েছিলেন রাসেল, “দোস্ত, আমি তো মাঠের বাইরে আছি বেশ কিছু দিন। হাতে টাকা পয়সাও নেই তেমন। আমাকে লাখ চারেক টাকা ধার দিবি? চিকিৎসা করাবো।”

সবার প্রিয় মাশরাফির উত্তর ছিল, “হ্যাঁ দেব। তবে ধার নয়। বন্ধুকে ভালোবেসে। এ অর্থ শোধ করতে হবে না।”

পরে মাশরাফির কাছে সেই অর্থ নিয়ে ভারতে চিকিৎসা করাতে যান রাসেল। কিন্তু ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, অস্ত্রোপচার লাগবে না। কিছু ঔষুধেই সেরে যাবে। এরপর দেশে ফিরে আবার নতুন করে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

যুক্ত হয়েছেন লিজেন্ডস অফ রূপগঞ্জ ক্লাবে। সেখান থেকে পাওয়া পারিশ্রমিক দিয়ে মাশরাফির কাছ থেকে নেয়া অর্থ শোধ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন রাসেল। মাশরাফি কিছুতেই সেই অর্থ ফেরত নেন নি।

এদিকে রাসেলের আশা, ইনজুরি সমস্যা কাটিয়ে দ্রুতই মাঠে নামতে পারবেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের হয়ে ৬ টেস্টে ১২ টি আর ৫২ ওয়ানডেতে ৬১ উইকেট শিকার করেছেন এই বামহাতি পেসার।

আইপিএলে প্রায়ই দেখেন এই সুন্দরীকে, জানেন কে এই বিখ্যাত মেয়ে?

ভারত সহ বিভিন্ন দেশের দর্শকের কাছে সমান জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ আইপিএলের আসর। কিন্তু আইপিএল অর্থাৎ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ মানে শুধুই কি ক্রিকেট? এর উত্তর হল ‘না’।

আইপিএলে প্রায়ই দেখেন এই সুন্দরীকে, জানেন কে এই বিখ্যাত মেয়ে?

এইখানে ক্রিকেটের সাথে যুক্ত হয়েছে আরো অনেক কিছু তাদের মধ্যে একটি হল সৌন্দর্য। আইপিএল চলাকালে আপনি সেখানে সুন্দর নারী দেখেননি তা হতে পারে না। তেমনি একজন সুন্দর নারীর কথা আজ বলবো যাকে আপনারা আইপিএলএ প্রায়ই দেখে থাকেন।

২০১৫ সালে যিনি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সারা ভারতে খ্যাতি অর্জন করেন। যাকে বলা হয় ‘মোষ্ট কিউটেষ্ট গার্ল ইন আইপিএল’। লাখো মনকে যিনি ডাকাতি করেছেন তিনি আর কেউ নন ‘রাখী কাপুর ট্যান্ডন’।

ক্রিকেট এবং সৌন্দর্যের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে আইপিএল ক্রিকেটকে নিয়ে গেছে অন্য এক যাদুকরী মাত্রায়। আজ আমরা সেই মোষ্ট কিউটেষ্ট রাখী কাপুর ট্যান্ডনের অজানা তথ্য।

আইপিএলে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সময় যাকে দেখি মিষ্টি হাসি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, সেই রাখী কাপুর একজন মিলিয়নিওর। হ্যা তিনি তিনি ধনী, বিখ্যাত এবং ইয়েস ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও রানা কাপুরের মেয়ে।

তিনি বিখ্যাত ওয়ারটন স্কুল, ইউনিভারসিটি অব পেনসিল্ভেনিয়া থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে দুবাইয়ের একজন উদ্যোক্তাকে বিয়ে করেন।

মাত্র ২৮ বছর বয়সেই তিনি অন্যতম সফল ব্যবসায়ীদের খাতায় নাম লেখান। তিনি রাস হাউসিং ফাইনেন্স’র ডিরেক্টর এবং প্রমোটর। সম্প্রতি তিনি কৃষিভিত্তিক একটি নতুন ব্যবসায় হাত দিয়েছেন।

ভারতের প্রভাবশালী ১০ জন নারীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ইনভেষ্টমেন্ট ব্যাংকার হিসেবে কাজ করেন। তিনি তার পিতার সবচেয়ে কাছের সহযোগী।

নতুন এক দায়িত্ব পেলেন সাকিব আল হাসান

নতুন এক দায়িত্ব পেলেন সাকিব আল হাসান। রাইড-শেয়ারিং কোম্পানি উবারের প্রথম বাংলাদেশি ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন জাতীয় টেস্ট ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

গতকাল শনিবার (৩ নভেম্বর) উবারের যুক্ত হন সাকিব। আর উবার সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশে টেস্ট অধিনায়ক জানান, এখন থেকে বাংলাদেশে কাজের সুযোগ সৃষ্টি, যুবকদের ক্ষমতায়ন এবং দেশে উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উবার ও সাকিব আল হাসান এক সঙ্গে কাজ করবে।

এই ঘোষণার বিষয়ে উবারের ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রদীপ পরমেশ্বরণ বলেন, ‘বাংলাদেশে উবারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে সাকিব আল হাসানকে পেয়ে আমরা আনন্দিত। গত কয়েক বছর ধরে সাকিব আল হাসান মাঠ ও মাঠের বাইরে বাংলাদেশিদের মধ্যে একজন রোল মডেল হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।

তার মাঝে আমরা এমন একজন পার্টনার পেলাম, যিনি সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক পরিবর্তন, তাদের ক্ষমতায়ন ও জীবনমানের উন্নয়নে আমাদের আদর্শের প্রতিফলন ঘটাবেন। আমি নিশ্চিত যে, এর মাধ্যমে বিনিয়োগ ও উদ্ভাবন আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। কারণ বাংলাদেশ আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার।’

উবারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান বলেন, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমাকে প্রচুর ভ্রমণ করতে হয় এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে উবার বুকিং করে ভ্রমণে যেতে পছন্দ করি।

প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি শহরের মধ্যে মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থায় যে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটিয়েছে, বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষের ক্ষমতায়ন ও কাজের সুযোগ সৃষ্টি করছে, তা দেখে আমার খুবই ভালো লাগছে। বাংলাদেশে প্রযুক্তি ও যাতায়াত ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কর্ণধার হিসেবে পরিচিত উবারের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।