খুবি অল্প দামে ১৫০ সিসির পালসার আসছে বাজারে!

0
88

খুবি অল্প দামে- সিসির পালসার দেশের মোটরসাইকেল বাজারে প্রায় ১৭ বছর ধরে সড়কে রাজত্ব করছে বাজাজের স্পোর্টস বাইক পালসার। এর মধ্যে পালসারের বেশ কয়েকটি মডেল বাজারে এসেছে। কিন্তু এর মধ্যে জনপ্রিয় ভার্সন হলো ১৫০ সিসির পালসার।

এবার এই বাইকটিকে আপডেটেড করার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় বাজাজ। প্রতিষ্ঠানটি চাইছে আকর্ষণীয় লুকিং, শক্তিশালী ইঞ্জিনের সমন্বয়ে ১৫০ সিসির বাজার ধরে রাখতে। নতুন ভার্সনে থাকছে পাওয়ার ফুল ফর্কস।

এর দুচাকায়ই থাকবে ডিস্ক ব্রেক। এছাড়াও স্পিড সিট এটিকে করবে আরও আকর্ষণীয়। ২০০১ সালে সর্বপ্রথম পালসার ১৫০ বাজারে আসে। কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি আপডেট এসেছে বাইকটিতে। তবে এবারের আপডেটেড ভার্সন হবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও কার্যকর। এর পরিবর্তন সহজেই দৃশ্যমান হবে।

বাজাজ অটোমোবাইল ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, ১৫০ সিসির পালসারে নতুন এক্সহস্ট মাফলার ব্যবহার করা হবে। এতে ১৮০ সিসির এক্সহস্ট মাফলার সংযোজন করা হবে। এতে ব্রাশড মেটাল এবং হিট শিল্ড থাকছে।

এছাড়াও বাইকটিতে নতুন ফুট পেগ এবং পেডেলে নতুনত্ব থাকছে। নতুন ভার্সনের পালসার ১৫০ তে পাওয়ারট্রেইন ১৪৯ সিসিই থাকছে। তবে নতুন ভার্সনের বাইকে ইঞ্জিনের ঝাঁকুনি অনেক কম হবে।

এটির ১৫০ সিসির দাম এক লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা বাজাজের মোটরসাইকেল বাংলাদেশে আমদানি করে বাজারজাত করছে উত্তরা মোটরস। দেশের বিভিন্ন জায়গায় উত্তরা মোটরসের শোরুম রয়েছে।

বর্তমানে বাজাজের ‘ডিসকভার’ মডেলের ১২৫ সিসির দাম এক লাখ ৫৮ হাজার, ১২৫ সিসি এসটির দাম এক লাখ ৭৫ হাজার ও ১০০ সিসির দাম এক লাখ ৩৯ হাজার ৯০০ টাকা।

বাজাজের রয়েছে আরেকটি মডেল ‘প্লাটিনা’। এর ১০০ সিসির দাম এক লাখ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা। আরেকটু বেশি স্টাইলিশ মডেল নিতে চাইলে কিনতে পারেন ‘পালসার’। আর ১৩৫ সিসির দাম পড়বে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা।

হানিফ কাউন্টারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে মারধর করল হেলপার

কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শোনা অবস্থায় গাড়ি চালাতে নিষেধ করায় হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে হানিফ কাউন্টারে নিয়ে মারধর করেছে বাসের চালক ও হেলপার। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে হাবিপ্রবির ছাত্ররা দিনাজপুর-রংপুর, দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে দুই ঘণ্টা অবরোধ করে। এ সময় সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

আহত ছাত্র ও পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র রুবেল মিয়া (২২) রংপুর থেকে হানিফ বাসে (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৫৯৫৪) চড়ে ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন।

পথিমধ্যে চালক কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শোনা অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ সময় চালককে কান থেকে হেডফোন খুলে গাড়ি চালাতে বলেন রুবেল মিয়া। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

বিষয়টি রুবেল মিয়া তার সহপাঠীদের জানান। সকাল ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বাসটি থামানোর জন্য সংকেত দেন রুবেল মিয়ার সহপাঠীরা। কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুতগতিতে শহরের কালিতলা কাউন্টারে নিয়ে যান। এতে মারুফ ও প্রান্তসহ পাঁচজন ছাত্র আহত হন।

সেইসঙ্গে কাউন্টারে নিয়ে রুবেল মিয়াকে মারধর করেন চালক ও হেলপার। এ ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে রুবেলকে উদ্ধারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের মহাসড়কে অবস্থান নেন সহপাঠীরা।

এতে দিনাজপুর-রংপুর, দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় আগুন জ্বালিয়ে রুবেলকে উদ্ধারের দাবিতে স্লোগান দেন সহপাঠীরা। খবর পেয়ে রুবেলকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পরে রুবেলকে ক্যাম্পাসে পৌঁছে দিলে দুপুর ১২টার দিকে অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা।

আহত রুবেল মিয়া বলেন, আমাকে কাউন্টারে নিয়ে চালক ও হেলপার মারধর করেছে। আমার নাক ও ঠোঁট কেটে গেছে। শরীরের অনেক স্থানে জখম হয়েছে।

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেদওয়ানুর রহিম বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই রুবেলকে উদ্ধার করে ছাত্রদের মাঝে ফিরিয়ে দিয়েছি। ছাত্ররা অবরোধ তুলে নিয়েছে। শুক্রবার ঘটনাটি নিষ্পত্তির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিক ইউনিয়নকে নিয়ে আলোচনায় বসব আমরা।

জয়পুরহাটে ইলেকট্রিক রাইস কুকার বিস্ফেরিত হয়ে প্রাণ হারান পুর এক পরিবার

জয়পুরহাট শহরের আরামনগর মহল্লার একটি বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে একই পরিবারের ৮ সদস্য নিহত হয়েছেন।

বুধবার (৭ নভেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনায় প্রথমে তিনজনের মৃত্যু হয়। দগ্ধ হন পাঁচজন। অপর ৫ জনকে দগ্ধ অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৪ জনের মৃত্যু হয়। জীবিত বাকি ১ জনকে বগুড়া থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন-বাড়ির গৃহকর্তা আব্দুল মোমিন (৩৭), মোমিনের মা মোমেনা বেগম (৬৫), মোমিনের বাবা দুলাল হোসেন (৭১), স্ত্রী পরীনা বেগম (৩০), বড় মেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থী বৃষ্টি (১৪), জমজ দুই মেয়ে হাসি ও খুশি (১২) এবং ছোট ছেলে তাইমুল ইসলাম নুর (৬)।

জয়পুরহাট ফায়ার স্টেশনের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ব্যবসায়ী মোমিনের বাড়িতে আগুন লাগে। মুহূর্তেই তা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।

জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মমিনুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান, দগ্ধ পরিবারের অন্য পাঁচ সদস্যকে প্রথমে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।

জয়পুরহাট পুলিশ সুপার রশিদুল হাসান জানান, রাতে মোমিনের মা মোমেনা বাসার রাইস কুকারে রান্না করার সময় বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে তারা জানতে পেরেছেন। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও এলাকাবাসী বাড়িটির সামনে ভিড় করছেন।