রাতের বেলা হাইওয়ের উপর লরিটি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেই সন্দেহ হয়েছিল… কিন্তু লরির ভিতর

0
78

রাতের বেলা হাইওয়ের উপর- লরির মধ্যে থেকে উদ্ধার হল চালকের গলাকাটা দেহ। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লরির ভিতর থেকে লরিচালকের দেহটি উদ্ধার হয়। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলীর চণ্ডীতলায়।

জানা গিয়েছে, লরিটি করে লোহার রড নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। দুর্গাপুর থেকে কলকাতা আসছিল লরিটি। রবিবার রাত ৯টা পর্যন্ত চালকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ ছিল লরি মালিকের। কিন্তু তারপরই থেকেই লরি চালক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। লরি চালকের ফোনটি সুইচড অফ হয়ে যায়।

চালকের সঙ্গে কোনওভাবে যোগাযোগ করতে না পেরে লরির খোঁজ শুরু করেন লরি মালিক। সোমবার গভীর রাতে লরিটির খোঁজ মেলে। দেখা যায়, চণ্ডীতলার পাঁচঘরায় দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের উপর লরিটি দাঁড়িয়ে রয়েছে। কলকাতামুখী রাস্তার উপর দাঁড়িয়েছিল লরিটি।

লরিটি খুঁজে পাওয়ার পর চণ্ডীতলার পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। পুলিস এসে তল্লাশি চালাতেই লরির ভিতর থেকে চালকের দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের নাম কেষ্ট ভাগত। বাড়ি বিহারে।

পুলিস জানিয়েছে, ধারালো কিছু দিয়ে গলার নলি কেটে খুন করা হয়েছে ওই লরি চালককে। কিন্তু ওই লরি চালককে কেন খুন করা হল? পণ্য ছিনতাই নাকি ব্যক্তিগত আক্রোশ? খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।

মা হলেন সানিয়া, খালা হলেন ফারাহ

পৃথিবীর আলো দেখল বেবি মির্জা মালিক। গত এপ্রিলেই সুখবরটি দিয়েছিলেন ভারতীয় টেনিস-সুন্দরী সানিয়া মির্জা, মা হতে যাচ্ছেন তিনি। এবার পুত্রসন্তানের মা-বাবা হলেন তাঁরা। এ খবরে উচ্ছ্বসিত বলিউডের চলচ্চিত্রনির্মাতা ফারাহ খান। সানিয়ার সঙ্গে ফারাহর দোস্তির কথা কে না জানে।

ফারাহ ও সানিয়া ভালো বন্ধু। বিভিন্ন সময় তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায়। ইনস্টাগ্রামে সেসব ছবিও শেয়ার দেন তাঁরা। সানিয়ার মা হওয়ার খবরে যেন চাঁদ হাতে পেয়েছেন ফারাহ, এমন উত্তেজিত তিনি। তিনিও যে খালা হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৭টার দিকে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক শোয়েব মালিক একটি টুইট করেন, ‘বেশ উত্তেজনার সঙ্গে বলছি। ছেলে হয়েছে আমাদের।’ স্ত্রী সানিয়া যে সুস্থ আছেন, তা-ও জানান শোয়েব।

সন্তান হওয়ার খবরের পর টেনিস তারকা ও তাঁর ক্রিকেটার সঙ্গী শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন।

ইনস্টাগ্রামে ফারাহ খান একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘অবশেষে!! সেই সুদিন এসেছে!! অভিনন্দন সানিয়া আর মালিক। ছোট্ট দেবদূত এসেছে তোমাদের কাছে।’ ছবিতে লেখা—‘আমি খালা!’

পরে ফারাহ খান সানিয়ার সঙ্গে তোলা একটি ছবিও শেয়ার দিয়েছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার প্রিয়তম ও সেরা বন্ধু মা হয়েছে!! সানিয়া মির্জা, এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না, ভালোবাসি তোমাকে এবং ছোট্ট রাজপুত্রকে দেখার জন্য দ্রুতই আসছি।’

২০১০ সালে হায়দরাবাদে সানিয়াকে বিয়ে করেন শোয়েব। এর পর দুবাইয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট নিয়ে সংসার পাতেন দুই তারকা। সানিয়া বলেছিলেন, তাঁদের সন্তানের পদবিতে মা ও বাবা দুজনের পদবিই থাকবে। সন্তানকে শোয়েবও এদিন টুইটারে ‘বেবি মির্জা মালিক’ বলেই ডেকেছেন।

মাইক্রো-ব্লগিং সাইট টুইটারে অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়াও সানিয়া-শোয়েব দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। লিখেছেন, ‘ব্র্যান্ড নিউ মা-বাবা হওয়ার জন্য আমার সুন্দর বন্ধুদের অভিনন্দন। উফ, তোমাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য তর সইছে না।’ সানিয়ার সঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবিও শেয়ার দেন নেহা।

ভক্তরা সানিয়ার ছোট্ট দেবদূতের ছবি দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।

প্রেমিকাকে বিয়ে করতে বাবা-মা’র সম্মতি না পাওয়ায় সৌদি প্রবাসীর আত্মহত্যা

টাঙ্গাইলে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়েতে বাবা-মায়ের সম্মতি না পাওয়ায় ক্ষোভে-অভিমানে নাঈম শিকদার (২২) নামে এক প্রবাসী কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার রাতে জেলার সখীপুর উপজেলার কালিয়া পাড়া ঘোনারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সৌদি আরব ফেরত নাঈম ওই গ্রামের আব্বাস শিকদারের ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শামছুল আলম ও নাঈম শিকদারের পরিবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, নাঈম শিকদার এক বছর আগে সরকারি মুজিব কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় কাজের জন্য সৌদি আরব চলে যান। এদিকে কয়েক বছর আগে থেকে প্রতিবেশী এক মেয়ের সঙ্গে নাঈমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নাঈমের একাধিক বন্ধু বলেন, বিদেশ থেকে এসে প্রেমিকাকে বিয়ে করার ইচ্ছা ছিল তার। এক মাস আগে নাঈম বিদেশ থেকে ফেরত আসেন। পরে তার পরিবারের কাছে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

কিন্তু তার পরিবার কিছুতেই রাজি হচ্ছিল না। রাজি না হওয়ায় এক পর্যায়ে সোমবার রাতে ক্ষোভ ও অভিমানে কীটনাশক পান করে নাঈম।

পরিবারের লোকজন টের পেয়ে তাকে প্রথমে সখীপুর ও পরে অবস্থার অবনতিতে টাঙ্গাইল জেনারেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নি যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাতে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সখীপুর থানার ওসি এসএম তুহীন আলী বলেন, এ ব্যাপারে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। তিনি বিষয়টি দেখছেন