ওয়েব সিরিজের নামে চলছে পর্নোগ্রাফি!

0
210

ধারাবাহিক নাটকের মতো কয়েকপর্ব করে যা অনলাইনের বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার হয়। সারাবিশ্ব ঘুরে এখন যা বাংলাদেশেও বেশ রমরমা। আর সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশও ফলো করছে ওয়েব সিরিজের একটি বিশেষ নির্মাণ কৌশল। গল্পে রগরগে যৌনতা রাখতে হবে অবশ্যই।

হলিউডে ওয়েব সিরিজের ধারা শুরু হলেও, যৌনতাকে খুব বেশি প্রাধান্য দেয়নি। কারণ তাদেরতো আলাদা পর্ণ ইন্ডাস্ট্রি আছে। কিন্তু ভারত ও বাংলাদেশ বেশ আষ্টেপিষ্ঠে এই ফর্মূলা ফলো করছে। ভারতের বেশিরভাগ ওয়েব সিরিজে রয়েছে রগরগে যৌনতা। যা সহজেই আমাদের দেশের দর্শক দেখছে অনলাইনের কোন বিধি নিষেধ না থাকায়।

বলিউডের দ্বিতীয় সারির অভিনয় শিল্পীদের দিয়ে এসব ওয়েব সিরিজ তৈরী করছে। নওয়াজ উদ্দীনের মত অভিনেতাও অবলীলায় উলঙ্গ হয়ে যৌন দৃশ্যে অভিনয় করছেন! ‘সাক্রেড গেমস’ এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত হিন্দী ওয়েব সিরিজ। যে সিরিজে সাইফ আলী খান, নওয়াজ উদ্দীনরা অভিনয় করেছেন। পুরো সিরিজে রয়েছে একাধিক যৌন দৃশ্য। ভয়াবহতার চরম পর্যায়ে পৌছেছে কলকাতার ওয়েব সিরিজ। যেসব ওয়েব সিরিজ কলকাতার প্রথম সারির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানই আবার প্রযোজনা করছে।

‘চরিত্রহীন’ ওয়েব সিরিজ নিয়ে ভারতে রীতিমতো হৈচৈ পড়ে গেছে। সেক্স, নেশা আর হিংসায় ভরপুর দেখে প্রায় সবাই এটাকে পর্ন ওয়েব সিরিজ বলেও আখ্যা দিয়েছে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করেই এই ছবিটি বানিয়েছে কলকাতার সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ। শুধু দৃশ্য নয়, সংলাপও যার কুরুচিপূর্ণ।

বর্তমানে বৌদিরা মাতাচ্ছেন কলকাতার ওয়েব দুনিয়া। চরম অশ্লীলতা ছড়ানো হচ্ছে বৌদিদের নামে। কলকাতার ঝুমা বৌদি, উমা বৌদি, দুপুর বৌদি এসব নিয়ে চলছে তুমুল মাতামাতি। অশ্লীলতা ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে সুন্দর একটা সম্পর্ককে কেন্দ্র করে।

শুধু ওয়েব সিরিজ বা নামি দামি অভিনেতাকে নিয়েই নয়। আড়ালে থাকা দেহ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে থার্ড ক্লাস অভিনয় শিল্পী নামধারী অনেক বৌদির দেখা মিলে এখন ভিডিও শেয়ারিং মাধ্যম গুলোতে।

ইউটিউবেও আছে এর ‘একান্ত’ কিছু ভিডিও চিত্র। যেখানে আঠারো প্লাস অশ্লীলতা ছড়ানো হচ্ছে বিনোদনের নামে। ইউটিউবে প্রকাশের জন্য কারো অনুমতির প্রয়োজন না থাকায় অহরহ প্রকাশ পাচ্ছে এসব নোংড়া মানষিকতার ভিডিও ক্লিপ। ভিডিওতে এর শিরোনাম- হট বৌদি, রঙিলা বৌদি, স্লিম বৌদি, বৌদির হট ভিডিও ইত্যাদি শিরোনামে প্রকাশ করা হচ্ছে।

ইউটিউবের উপর নিয়ন্ত্রন না থাকায় বাংলা চলচিত্র থেকে অশ্লীলতা বিদায় নিলেও আবারো এসব থার্ডক্লাস ভিডিওর জন্য রন্ধে রন্ধে ছড়িয়ে পড়ছে অশ্লীলতা। এসব থামোনোর কি আসলেই কেউ নেই? নাকি অঘোষিত ভাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে এসব কু-কর্মকে?