হ্যালো, বাংলাদেশ… আমি ব্রাজিলের মেয়ে বলছি!…

0
93

আমি ব্রাজিলের মেয়ে- বাংলা ঠিক জানেন না ব্রাজিলের মেয়ে জুলিয়ানা। আরও কিছু শব্দ ও বাক্যসহ এটুকু শিখেছেন ঠিকই। ভালোবাসার টানে রোনালদোদের দেশ থেকে ছুটে এসেছেন বাংলাদেশে। আর ব্রাজিলিয়ান তরুণীর মন চুরি করেছেন লাকসামের তরুণ হিরু।

২৫ বছরের তরুণী জুলিয়ানার মনে দ্বিধা থাকলেও ভয় ছিল না। রিকশার দেশ, মানুষের ভালোবাসার দেশ বাংলাদেশ তাকে এভাবে গ্রহণ করে নেবে ভাবেননি জুলিয়ানা নিজেও। কিন্তু প্রেম মানে না বাধা। পৃথিবীর দুই প্রান্তে দুই ভালোবাসার মানুষ।

কিন্তু প্রেমের টানে দুই মহাদেশকে এক করেছে এই ভালোবাসার জুটি। নিজের দেশ ফেলে চলে আসার মতো কঠিন কাজ করেছেন জুলিয়ানা। প্রেমের টানে ছুটে এসেছেন কুমিল্লার লাকসামে। প্রেমিক বাহরাইন প্রবাসী বাংলাদেশি হিরু, লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউপির দোগাইয়া গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।

দেশে চলে আসার পর গত ৩১ অক্টোবর ঢাকায় একটি কাজী অফিসে এই প্রেমিকযুগলের বিয়ে হয়। সিলেট এমসি কলেজ থেকে রাষ্ট্র্র্রবিজ্ঞান বিভাগে শেষবর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় হিরু জীবিকার তাগিদে পাড়ি জমান প্রবাসে। বছরখানেক আগে তিনি দেশে আসেন।

এর আগে এই প্রেমের গল্পের নায়ক হিরু ২০১০ সালে বাহরাইন যান। ২০১২ সালের ৬ জুন বাহরাইনে ইংরেজি ভাষা প্র্যাকটিসের অনলাইনে পরিচয় হয় ব্রাজিলের জুলিয়ানার সঙ্গে। পরে ফেসবুকে, স্কাইপিতে তাদের যোগাযোগ হতে থাকে নিয়মিত। প্রায় প্রতিদিনই কথা হতো।

সেই থেকে দুজনের মধ্যে প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় সাড়ে ছয় বছরের প্রেম। পরে জুলিয়ানার সঙ্গে বিয়ের সম্পর্কের কথাবার্তা শুরু হয়। জুলিয়ানা তার বাবা মারকোস জিওরজিয়াংয়ের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নেন।

গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশে আসেন জুলিয়ানা ও তার বাবা। ৩১ অক্টোবর কাকরাইল কাজী অফিসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে জুলিয়ানাকে বিয়ে করেন হিরু। এরপর মিরপুর-২ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন।

গত ৪ নভেম্বর হিরুর বাবা আবদুল খালেক স্থানীয়দের নিয়ে বধূবরণ উপলক্ষে ৩০০ লোকের মেজবানের আয়োজন করেন। স্থানীয় এক রিকশাচালক ওই নবদম্পতিকে নিয়ে আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখান। এ সময় জুলিয়ানার বাবাও রিকশা চালিয়ে মেয়ে এবং জামাতাকে নিয়ে আনন্দ-উল্লাস করেন।

বর্তমানে নবদম্পতি তাদের ভাড়া করা ঢাকার বাসায় অবস্থান করছেন। হিরু আরও জানান, হিরুরা তিন ভাই দুই বোন। সে ভাই বোনদের মধ্যে তৃতীয়। বাবা ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। বর্তমানে অবসরে।

জুলিয়ানার বাবা ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার। তারা থাকেন ব্রাজিলের সাওপাওলোতে। তারা দুই বোন। জুলিয়ানা বড়। সে নিউরো সায়েন্সে মাস্টার্স করেছে। বর্তমানে পিএইচডি করছে। বাংলাদেশে ব্রাজিল ফুটবল দলের প্রচুর সমর্থক আছে শুনে জুলিয়ানা বিস্মিত হয়।

বিশেষ করে ঢাকা লালবাগের কেল্লা দেখতে যাওয়ার সময়ও ব্রাজিলের পতাকা উড়তে দেখে। গ্রামের বাড়িতে জুলিয়ানাকে দেখতে শত শত মানুষ ভিড় করে। এক পলকে মানুষ জুলিয়ানার দিকে তাকিয়ে থাকায়ও সে বিব্রত হয়।

বিশেষ করে গ্রামের মহিলারা এসে তাকে ছুঁয়ে দেখে, সে মানুষ নাকি অন্য কিছু! প্রথমে হিরুর পরিবার এই বিয়েতে রাজি না হলেও পরে তাদের বুঝিয়ে রাজি করিয়েছেন। শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তার শাশুড়ি ব্রাজিলে তাদের জন্য ওয়েলকাম পার্টির আয়োজন করেছেন।

তিনি আরও জানান, জুলিয়ানা কোরআন পড়ছেন। ধর্ম পালনের প্রক্রিয়াও শিখছেন। ‘কেমন আছেন, ভালো আছি।’ জাতীয় কিছু বাংলা শিখেছেন। বাংলাদেশের সবুজ শ্যামল প্রকৃতি তার ভালো লেগেছে। ঝাল, তেল, মসলাদার খাবার খেতে পারেন না।

বাসায় কম মসলার খাবার রান্না করে খাচ্ছেন। কখনো রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাচ্ছেন। জুলিয়ানা কিছুদিন পরে ব্রাজিল চলে যাবেন পিএইচডি করতে। তার সঙ্গে সেখানে হিরুও চলে যেতে পারেন। তিনি বলেন, জুলিয়ানা ভালো একটা মেয়ে। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

একটি বাস্তব ঘটনা: স্ত্রীর সামান্য কিছু কথায় যেভাবে স্বামীর পুরো জীবন বদলে গেলো

স্বামী তার স্ত্রীকে ইশারা করে বললো, পানি খাবো, স্ত্রী পানি নিয়ে এসে দেখেন, স্বামী আপন মনে সিগারেট খাচ্ছে, স্ত্রীর চোখে হঠাৎই জল চলে এলো। সিগারেট খাওয়ার মাঝখানেই পানিটা পান করলো, স্ত্রীকে বলল কান্না করছো কেন? স্ত্রীকে বলল কান্না করছো কেন? স্ত্রী বললো, তোমার কাছে আমার একটা জিনিস চাওয়ার আছে।

স্বামী মুচকি হেসে জবাব দিলো, তোমার একটা চাওয়া নয় হাজারো চাওয়া পূর্ণ করবো, বলো কি চাওয়া তোমার, স্ত্রী বললো, পৃথিবীর কোন জাগতিক সম্পদ আমার লাগবে না, তোমার মূল্যবান সময়ের একমাস চাই, সেই মাসে শুধু আমার কথামতো চলবে, স্বামী বললো এটা আবার কোনো চাওয়া নাকি, আচ্ছা ঠিক আছে আমি রাজি, এবার একটু হাসো, স্ত্রী বললো একমাস পর বলতে পারবো হাসিটা আমার জন্য কবুল হয়েছে কিনা।

স্বামী স্ত্রীর কথা বলার সময় আসরের আযান হয়ে গেছে, স্ত্রী স্বামীকে ওযু করতে বলে অন্য রুমে চলে গেলো, ফিরে আসলেন শশুড়ের সাদা একটা পান্জাবি, আর আতরের বোতলটি নিয়ে, স্বামীর গায়ে পান্জাবিটা পড়িয়ে অনেকখানি আতর লাগিয়ে, মসজিদের দিকে ইশারা করে বললো, মসজিদে যাও।

স্বামী মসজিদে না গিয়ে রাস্তার পাশের দোকানে গিয়ে আড্ডা দেয়, আর জামায়াত শেষ হলে ঘরে ফিরে আসে, এমন ভাবে ৫ দিন চলার পর, স্বামী ভাবলেন এভাবে মিথ্যা বলা সম্ভব নয়, আর সব কিছু গায়ে দিয়ে চোরের মতো রাস্তায় থাকাটা কষ্ট, তারচেয়ে ভাল হবে মসজিদে গেলে। স্বামী আজ রাস্তায় নয়, মসজিদের মধ্যেই প্রবেশ করলো, অনেক মানুষই তার দিকে অবাক নয়নে তাকালো, সবাই কেমন জানি হতগম্ভ যে ছেলেটা

বখাটেদের ওস্তাদ, সে কিনা মসজিদে। স্ত্রী আজ খেয়াল করলো স্বামী কেমন জানি আনমনা, তাই জিজ্ঞেস করলো কি হয়েছে? স্বামী বললো, আজ আমি সাকসেস হয়েছি, স্ত্রী বললো কোন বিষয়ে, স্বামী বললো অন্য এক বিষয়ে,।।।

স্বামী সব কিছু গুছিয়েছে সেভ করবেন, স্ত্রী বাধা দিয়ে বললো একমাস তো আমার, তাহলে নিজের ইচ্ছেমত কেন সেভ হবে, আমি চাই তোমার সুন্দর দাঁড়ি থাক, স্বামী বিরক্ত বোধ করলো, তারপর ও শুনলো, যেহেতু কথা দিয়েছে আগে দুদিন পরপর সেভ না করলেই সে কি চুলকানি, অথচ আজ ১৫ দিন সেভ করিনা, কিন্তু একটু ও চুলকায়নি, যেন নিজের অজান্তে মুখ দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ্ বের হয়ে গেল।

স্ত্রী কখনোই স্বামীকে সিগারেট খেতে দেয়না, স্বামী ভাবে একমাস তো তাই ঘরের মধ্যে না খেয়ে বাহিরে খাব, কিন্তু সেটাও আর বেশি দিন হলোনা, ২০দিন পর নিজেই সিগারেট ছেড়ে দিলেন, আগে টেনশন হলে সিগারেট, এখন টেনশন হলে নামাজে দাঁড়িয়ে যাবো, নয়তো তাসবীহ পাঠ করবো।

আজ ৩০ দিন পূর্ণ হলো, স্ত্রী প্রতিদিনের ফজরের নামাজের মতো ডাকলেন না স্বামী কে, কিন্তু অভ্যাস বড়ই ভয়ানক জিনিস, আগের মতোই স্বামী মসজিদে চলে গেল, স্ত্রী আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলেন, স্বামী নামাজ পড়ে এসে বললো, আজ আমি তোমার কাছে একটা জিনিস চাই, স্ত্রী বললো,

তোমার চাওয়াটা বলতে পারো, স্বামী বললো, আমার একমাস নয়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে যতদিন হায়াত দেন, ততটা দিনই তোমার, তুমি কি এটা নিবেনা??? স্ত্রী মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললো, স্বামী খুব খুশি হলো, স্ত্রীরও মনের ইচ্ছা পূর্ণ হলো সেদিনের বাকিটা হাসি আজ তৃপ্তি সহকারে হাসলেন।

জানি বেশীর ভাগ ছেলেরা নেশা করে,কিন্তু বোনেরা আপনারা ধর্য্য হারা না হয়ে একটু চেষ্টা করুন তাকে পাল্টানোর। দেখো বোন। যেটা বাবা মা পরিবর্তন করতে পারে না সেটা কিন্তু আপনাকে দিয়েই সম্ভব!!!!! “হে আল্লাহ সবার জন্য নেক্কার সুন্দরী স্ত্রী দান করুন নামায যে পড়ে একদিন না একদিন তার তৃপ্তি উপলব্ধি করতে পারে । যে যত সুন্দরভাবে নামায আদায় করে তার জীবন তত সুন্দর হয়ে যায় ।আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামায শান্তি মনে পড়ার তৌফিক দেন