স্বামী গভীর রাতে বাসায় আসলো। আস্তে করে বেডরুমের দরজা খুলে বিছানা……

0
188

স্বামী গভীর রাতে- স্বামী গভীর রাতে বাসায় আসলো। আস্তে করে বেডরুমের দরজা খুলে বিছানার দিকে তাকাতেই দেখতে পেল কম্বলের নিচ দিয়ে দুই জোড়া পা দেখা যাচ্ছে। তার মাথায় মুহূর্তেই রক্ত চড়ে গেল। পাশে থাকা একটি বেসবল ব্যাট দিয়ে ইচ্ছামত ১০-১৫ মিনিট পিটিয়ে ক্লান্ত হয়ে ডায়নিং রুমে গেল পানি পান করতে। গিয়ে দেখল তার স্ত্রী সেখানে খাবার নিয়ে বসে আছে!!!

তাকে দেখে স্ত্রী বললঃ “তোমার ভাই-ভাবী ঘন্টা দুই আগে এসেছেন। আমি আমাদের বেডরুমে উনাদের থাকতে দিয়েছি। আশা করি তুমি ওঁদের স্বাগত জানিয়ে এসেছো!

বল্টুর একটা মুদ্রাদোষ আছে। বল্টু যে কোন কথা বলার শেষে বলে বাল। যেমন : ওর মা বলতেছে… মা : কিরে বল্টূ ভাত খাবি না? বল্টু : ভাত খাবো না বাল। সেই বল্টু S S C পরীক্ষা দিবে। স্কুলের স্যাররা বার বার বলে দিলো পরীক্ষার খাতায় যেন লেখার শেষে বাল না লিখে। বল্টুর আজ বাংলা পরীক্ষা। তো পরীক্ষা শেষ আর মাত্র দূই মিনিট সময় আছে।

বল্টু খাতা রিভিশন করতে গিয়ে দেখে প্রত্যেক লাইনের শেষে বাল লেখা। বল্টুতো অবাক। এখন কি করে,,, বাল লেখাটা যে কেটে দিবে তার সময়ও নেই। তবুও কিছু বাল লেখা কেটে দিলো। হঠাৎ করে বল্টুর মাথায় একটা বুদ্ধি আসল।

খাতার শেষের পাতায় বড় করে লিখে দিলো। সার মহোদয় সময়ের অভাবে সব বাল কাটতে পারলাম না! বাকী কয়টা আপনি কেটে নিবেন!! কিছু মনে করবেন না।আমি একটা ভালো মন খুঁজতাছি।

একটি বাস্তব ঘটনা: স্ত্রীর সামান্য কিছু কথায় যেভাবে স্বামীর পুরো জীবন বদলে গেলো

স্বামী তার স্ত্রীকে ইশারা করে বললো, পানি খাবো, স্ত্রী পানি নিয়ে এসে দেখেন, স্বামী আপন মনে সিগারেট খাচ্ছে, স্ত্রীর চোখে হঠাৎই জল চলে এলো। সিগারেট খাওয়ার মাঝখানেই পানিটা পান করলো, স্ত্রীকে বলল কান্না করছো কেন? স্ত্রীকে বলল কান্না করছো কেন? স্ত্রী বললো, তোমার কাছে আমার একটা জিনিস চাওয়ার আছে।

স্বামী মুচকি হেসে জবাব দিলো, তোমার একটা চাওয়া নয় হাজারো চাওয়া পূর্ণ করবো, বলো কি চাওয়া তোমার, স্ত্রী বললো, পৃথিবীর কোন জাগতিক সম্পদ আমার লাগবে না, তোমার মূল্যবান সময়ের একমাস চাই, সেই মাসে শুধু আমার কথামতো চলবে, স্বামী বললো এটা আবার কোনো চাওয়া নাকি, আচ্ছা ঠিক আছে আমি রাজি, এবার একটু হাসো, স্ত্রী বললো একমাস পর বলতে পারবো হাসিটা আমার জন্য কবুল হয়েছে কিনা।

স্বামী স্ত্রীর কথা বলার সময় আসরের আযান হয়ে গেছে, স্ত্রী স্বামীকে ওযু করতে বলে অন্য রুমে চলে গেলো, ফিরে আসলেন শশুড়ের সাদা একটা পান্জাবি, আর আতরের বোতলটি নিয়ে, স্বামীর গায়ে পান্জাবিটা পড়িয়ে অনেকখানি আতর লাগিয়ে, মসজিদের দিকে ইশারা করে বললো,

মসজিদে যাও।

স্বামী মসজিদে না গিয়ে রাস্তার পাশের দোকানে গিয়ে আড্ডা দেয়, আর জামায়াত শেষ হলে ঘরে ফিরে আসে, এমন ভাবে ৫ দিন চলার পর, স্বামী ভাবলেন এভাবে মিথ্যা বলা সম্ভব নয়, আর সব কিছু গায়ে দিয়ে চোরের মতো রাস্তায় থাকাটা কষ্ট, তারচেয়ে ভাল হবে মসজিদে গেলে।

স্বামী আজ রাস্তায় নয়, মসজিদের মধ্যেই প্রবেশ করলো, অনেক মানুষই তার দিকে অবাক নয়নে তাকালো, সবাই কেমন জানি হতগম্ভ যে ছেলেটা বখাটেদের ওস্তাদ, সে কিনা মসজিদে। স্ত্রী আজ খেয়াল করলো স্বামী কেমন জানি আনমনা, তাই জিজ্ঞেস করলো কি হয়েছে? স্বামী বললো, আজ আমি সাকসেস হয়েছি, স্ত্রী বললো কোন বিষয়ে, স্বামী বললো অন্য এক বিষয়ে,।।।

স্বামী সব কিছু গুছিয়েছে সেভ করবেন, স্ত্রী বাধা দিয়ে বললো একমাস তো আমার, তাহলে নিজের ইচ্ছেমত কেন সেভ হবে, আমি চাই তোমার সুন্দর দাঁড়ি থাক, স্বামী বিরক্ত বোধ করলো, তারপর ও শুনলো, যেহেতু কথা দিয়েছে আগে দুদিন পরপর সেভ না করলেই সে কি চুলকানি, অথচ আজ ১৫ দিন সেভ করিনা, কিন্তু একটু ও চুলকায়নি, যেন নিজের অজান্তে মুখ দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ্ বের হয়ে গেল।

স্ত্রী কখনোই স্বামীকে সিগারেট খেতে দেয়না, স্বামী ভাবে একমাস তো তাই ঘরের মধ্যে না খেয়ে বাহিরে খাব, কিন্তু সেটাও আর বেশি দিন হলোনা, ২০দিন পর নিজেই সিগারেট ছেড়ে দিলেন, আগে টেনশন হলে সিগারেট, এখন টেনশন হলে নামাজে দাঁড়িয়ে যাবো, নয়তো তাসবীহ পাঠ করবো।

আজ ৩০ দিন পূর্ণ হলো, স্ত্রী প্রতিদিনের ফজরের নামাজের মতো ডাকলেন না স্বামী কে, কিন্তু অভ্যাস বড়ই ভয়ানক জিনিস, আগের মতোই স্বামী মসজিদে চলে গেল, স্ত্রী আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলেন, স্বামী নামাজ পড়ে এসে বললো,

আজ আমি তোমার কাছে একটা জিনিস চাই, স্ত্রী বললো, তোমার চাওয়াটা বলতে পারো, স্বামী বললো, আমার একমাস নয়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে যতদিন হায়াত দেন, ততটা দিনই তোমার, তুমি কি এটা নিবেনা??? স্ত্রী মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললো, স্বামী খুব খুশি হলো, স্ত্রীরও মনের ইচ্ছা পূর্ণ হলো সেদিনের বাকিটা হাসি আজ তৃপ্তি সহকারে হাসলেন।

জানি বেশীর ভাগ ছেলেরা নেশা করে,কিন্তু বোনেরা আপনারা ধর্য্য হারা না হয়ে একটু চেষ্টা করুন তাকে পাল্টানোর। দেখো বোন। যেটা বাবা মা পরিবর্তন করতে পারে না সেটা কিন্তু আপনাকে দিয়েই সম্ভব!!!!! “হে আল্লাহ সবার জন্য নেক্কার সুন্দরী স্ত্রী দান করুন নামায যে পড়ে একদিন না একদিন তার তৃপ্তি উপলব্ধি করতে পারে । যে যত সুন্দরভাবে নামায আদায় করে তার জীবন তত সুন্দর হয়ে যায় ।আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামায শান্তি মনে পড়ার তৌফিক দেন